বৈশাখী পূর্ণিমা ও বুদ্ধ জয়ন্তী উদযাপন

আপডেট : ০৩ মে ২০১৫, ১৫:৩৮
খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে বৌদ্ধদের ত্রিস্মৃতি বিজরিত বৈশাখী পূর্ণিমা তিথিতে বুদ্ধ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে শতশত ভিক্ষু ও কয়েক হাজার বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী নারী পুরুষের অংশগ্রহণে উৎসব মুখর পরিবেশে বিশাল বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। পার্বত্য ভিক্ষুসংঘ মহালছড়ি উপজেলা শাখার সহযোগিতায় বদানালা বৌদ্ধ বিহারের আয়োজনে এ র্যালির আয়োজন করা হয়।
 
রবিবার সকাল ৯টায় মহালছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান বিমল কান্তি চাকমা ফিতা কেটে এ উৎসবের উদ্বোধন করেন। এ র্যালিটি মহালছড়ি কলেজ গেইট থেকে শুরু হয়ে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
 
এতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ সদস্য জুয়েল চাকমা, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কাকলী খীসা, মাইসছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান শান্তশীল চাকমা, মহালছড়ি সদর ইউপি চেয়ারম্যান লাব্রেচাই মারমা ও মুবাছড়ি গৌতম বৌদ্ধ বিহারের বিহারাধ্যক্ষ প্রজ্ঞা জ্যেতি মহাস্থবির। 
 
বৈশাখী পূর্ণিমার এ তিথিতে মহামানব গৌতম বুদ্ধের জন্মগ্রহণ, বুদ্ধত্ব লাভ ও মহাপরিনির্বাণ লাভ করেন বিধায় ত্রিস্মৃতি বিজরিত বৌদ্ধদের এ দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 
 
বৌদ্ধ ধর্মীয় মতে, আজ থেকে ২ হাজার ৫ শত ৫৮ বছর আগে এই দিনে মহামানব গৌতম বুদ্ধ আর্বিভূত হয়েছিলেন। তাঁর শুভজন্ম, বোধিলাভ ও মহাপরিনির্বাণ হয়েছিল বলে এ দিনটিকে বৌদ্ধরা 'বুদ্ধ পূর্ণিমা' বলে আখ্যায়িত করেছিলেন। বিশ্বের সকল বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কাছে এ দিনটি বৌদ্ধ পূর্ণিমা নামে পরিচিত। পবিত্র এ দিনে আনন্দঘন ও উৎসব মুখর পরিবেশে বৌদ্ধরা নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।  
 
ত্রিস্মৃতি বিজরিত এ দিনে বৌদ্ধরা প্রতিটি বিহারে পঞ্চশীল গ্রহণ, সংঘদান, অষ্টপরিষ্কার দান ও ধর্মীয় দেশনা শ্রবণ করবেন। সন্ধ্যায় বিশ্বশান্তি কামনায় সমবেত প্রার্থনা, প্রদীপ পূজা ও হাজার বাতি প্রজ্জ্বলন করবেন।