ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠক শেষে মিয়ানমারের মংডু শহরে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ভোগ করা ১৪ বাংলাদেশি নাগরিককে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। গতকাল মঙ্গলবার বিওপি-বিজিবির এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ফেরত আসা এসব বাংলাদেশি নাগরিককে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে বিজিবি।
প্রায় ৬ বছর সাজা ভোগ করে ঢাকা জেলার মুকসুদ গ্রামের বাসিন্দা মোঃ রাজিব খান জানান, ২০০৯ সালে মানব পাচার চক্রের খপ্পরে পড়ে সাগর পথে মালয়েশিয়া পাড়ি দিতে গিয়ে মাঝপথে ৮৮ জন মালয়েশীয় নাগরিকসহ বিকল হয়ে যাওয়া ট্রলার থেকে তাদের আটক করে মিয়ানমার নৌ-বাহিনী ও কোস্টগার্ড সদস্যরা। পরে মিয়ানমার প্রশাসন তাদের বিভিন্ন মেয়াদের সাজা দেয়।
ফেরত ব্যক্তিরা হলেন— কক্সবাজার জেলার মহেষখালীর তাজিয়াকাটার আবদুল রহিম, উখিয়ার পালংখালীর জয়নাল উদ্দিন, একই এলাকার এবাদুল্লাহ, নুর কবির, টেকনাফ সদরে গোদালবিলের নুরুল আমিন, নাজির পাড়ার সৈয়দ আলম, হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা এলাকার মো. ইউছুপ, বান্দরবান জেলার বাবলু খেয়াংয়ের ইউ ক্য মং, হাজি গুরামিয়া পাড়ার মো. আমিন, ডুলু পাড়ার মো. ইউনুছ, চট্টগ্রাম বাজালিয়া পাড়ার আবদুর রহিম প্রকাশ বদি, লোহাগাড়ার চরম্বা ওয়াহিদের পাড়ার মো. বাদশা মিয়া, মো. জসিম, ঢাকা মকসুদপুর গ্রামের মো রাজিব খান।
টেকনাফ ৪২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফ. কর্নেল আবু জার আল জাহিদ জানান, মিয়ানমার কারাগারে অন্তত একশ’ বাংলাদেশি কয়েদি রয়েছেন। তাদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে।
