কোটা পদ্ধতির বিস্তারিত প্রকাশ করতে যাচ্ছে ইইউ

আপডেট : ২৭ মে ২০১৫, ১৮:৩৮
 
ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে আসা অবৈধ অভিবাসীদের স্থান সংকুলানে কোটা পরিকল্পনার বিস্তারিত প্রকাশ করতে যাচ্ছে ইউরোপীয় কমিশন। বুধবার কমিশন এ সংক্রান্ত পূর্ণ তথ্য প্রকাশ করবে।
 
কোটা পদ্ধতির মাধ্যমে ৪০ হাজার আশ্রয়প্রার্থীদের ইইউ দেশগুলোতে বণ্টন করার প্রস্তাব দেয়া হবে বলে এক প্রতিবেদনে জানা গেছে। এছাড়াও চোরাচালান বন্ধ করা এবং এর জন্য প্রয়োজনে লিবিয়ার আঞ্চলিক জলসীমায় সামরিক বল প্রয়োগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে অপর প্রস্তাবগুলোতে।
 
তবে এ পরিকল্পনায় ব্রিটেন যুক্ত হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে দেশটির সরকার। এদিকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি জমানো অভিবাসীদের সহায়তায় ইউরোপকে আরো বেশি উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন। মঙ্গলবার ব্রাসেলস সফরের প্রাক্কালে মুন এ আহ্বান জানান।
 
আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে প্রতিবছর লাখ লাখ শরণার্থী দক্ষিণ ইউরোপে পাড়ি জমায়। এই সমস্যা মোকাবিলায় কোটা পদ্ধতিতে এসব শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার পরিকল্পনা করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। তবে এ কোটা পদ্ধতির ধারণা কিছু কিছু ইইউ রাষ্ট্রে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। ফ্রান্স, স্পেন, হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া এবং এস্তোনিয়া এতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
 
যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী জাস্টিন গ্রিনিং কোটা সংক্রান্ত এ পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন। তিনি যুক্তি দেখিয়ে বলেন, এতে অভিবাসীদের ঝুঁকি নিয়ে সাগরে নৌকায় চড়ে ইউরোপে আসার ক্ষেত্রে উৎসাহিত করা হবে।
 
এদিকে ডাবলিনে আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী এন্ডা কেনির সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বান কি মুন ভূমধ্যসাগরে তল্লাসি ও উদ্ধার অভিযান আরো জোরালো করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ইউরোপ আরো বেশি সহায়তা দিতে পারে। বান কি মুন বলেন, আমি ইউরোপীয় নেতৃবৃন্দকে এই সমস্যা আরো সর্বাত্মক ও সমন্বিত উপায়ে মোকাবিলার আহ্বান জানাচ্ছি। সূত্র: বিবিসি ও এএফপি