বট গাছের নীচে শতাব্দী নীচে শতাব্দী প্রাচীন শিব মন্দির। সে বটের ছায়ায় শান্তিতে মাথা তুলে রয়েছে একটা শিব লিঙ্গ। তার আশেপাশে রাখা কয়েকটি ত্রিশূল। যেখানে উপাসনা করেন হিন্দু এবং মুসলিম দুই সম্প্রদায়ের মানুষ। তবে এই দুই সম্প্রদায়ের উপাসনার ধরণটা ভিন্ন ভিন্ন।
ভারতের অসমের রংমহল গ্রামে এক অনন্য নজির। পরের তথ্যটি আরো চমকপ্রদ এই শিবমন্দিরটির রক্ষণাবেক্ষণ করে এক মুসলিম পরিবার। তাও আবার দীর্ঘ ৫০০ বছর ধরে। পাঁচশ বছর ধরে চলে আসছে এই প্রথা। গ্রামে হিন্দু-মুসলিম উভয়েই একইসঙ্গে আরাধনা করেন তাদের ঈশ্বরের। কখনো কোনো সমস্যা হয়নি তাদের মধ্যে। এই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিটাই উত্তর পূর্বের রাজ্য অসমের রংমহল গ্রামের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।
আরো পড়ুন: একটি গোলাপের মূল্য ১২৬ কোটি টাকা!
বর্তমানে ওই মন্দিরের দায়িত্ব পালন করছেন বৃদ্ধ মাতিবর রহমান। মাতৃকুল থেকে তিনি এই দায়িত্ব পেয়েছেন।

মাতিবর রহমান বলেন, ‘আমার দাদিকে দেখেছি এই মন্দিরের যত্ন করতে। ওনাকে আমি নানা বলে ডাকতাম। তার সেই নিষ্ঠার ধারা আমিও বজায় রেখেছি।’
তিনি আরো বলেছেন, ‘৫০০ বছর ধরে আমাদের পরিবার এই মন্দিরের রক্ষণাবেক্ষণ করছে। এখানে হিন্দু এবং মুসলিম সব ধর্মের মানুষেরাই আসেন। সবাই উপাসনা করেন। তবে ধরনটা ভিন্ন। হিন্দুরা যখন উপাসনা করে, মুসলমানরা তখন দোয়া করে।’
ইত্তেফাক/বিএএফ
