সিরাজগঞ্জে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে ধস

আপডেট : ১৩ জুন ২০১৫, ১৯:৩২
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বালিঘুঘরি এলাকায় পাউবোর পুরাতন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ২০০ মিটার অংশ ধসে গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে যমুনার পানি ৩০ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় সদর ও চৌহালী উপজেলায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দেয়। 
 
শনিবার সকালে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে ধস নামে।
 
গত কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে বাধেঁর এই স্থানে ৩ দফা ধস হয়। এতে বাঁধের প্রায় ৪০০ মিটার অংশ এরই মধ্যে যমুনায় বিলীন হয়ে গেছে বলে পাউবো সূত্রে জানা গেছে। শনিবার সকাল থেকে পাউবো এ অঞ্চলে জরুরি বালির বস্তা ফেলা শুরু করলেও পাশে নির্মাণাধীন বালিঘুঘরি বিকল্প রিং বাঁধও ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। ভোর থেকে প্রায় অর্ধশত বাড়িঘর সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
 
শনিবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বালিঘুঘরিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ প্রায় ২০০ মিটার ভেঙে গেছে। ভাঙন আতঙ্কে সিমলা, পাঁচ ঠাকুরী, চরপাড়া, ইটালি ও ভেওয়ামারা গ্রামের অনেকেই বাড়িঘর সরিয়ে নিচ্ছেন। অন্যান্য বার জরুরি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না নিলেও এবার খবর পেয়ে পাউবো সকাল থেকেই সিনথ্যাটিক ব্যাগে বালির বস্তা ফেলা শুরু করে।
 
পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী হাসান ইমাম বলেন, ভাঙন অব্যাহত থাকায় আমরা এখন বিকল্প বাঁধ তৈরির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি। প্রতিদিনই ২৫ থেকে ৩০ সেমি করে পানি বাড়ায় বালিঘুঘরি এলাকায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। এছাড়া ভাঙনের পাশে অস্থায়ী বিকল্প বাঁধ দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। দেরিতে হলেও পাউবো থেকে ড্রেজিং শুরু হয়েছে।