বিজ্ঞান
বায়ু
৭.তিশা যে বাসে করে বিদ্যালয় যায়, তার থেকে নির্গত ধোঁয়া বায়ু দূষণ করে। আর কোন কোন পদার্থ এই দূষণ ঘটায়? এই দূষণের চারটি কারণ লেখ।
উত্তর : বিভিন্ন ধরনের পদার্থ যেমন— রাসায়নিক পদার্থ, গ্যাস, ধূলিকণা, দুর্গন্ধ বায়ুতে মিশে বায়ু দূষিত করে।
বায়ু দূষণের চারটি কারণ হলো—
১.জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো।
২.কলকারখানা ও যানবাহনের ধোঁয়া।
৩.যেখানে সেখানে ময়লা আর্বজনা ফেলা।
৪.যেখানে সেখানে মলমূত্র ত্যাগের কারণে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে বায়ু দূষিত হয়।
৮.তোমার ছোট ভাই কিছুদিন ধরে শ্বাসকষ্টে ভুগছে। পরিবেশে কোন দূষণের ফলে তার এই রোগ হলো? পরিবেশের উপর এর দুটি প্রভাব লেখ। দূষণ প্রতিরোধে তোমার করণীয় ২টি বাক্যে লেখ।
উত্তর : বায়ুদূষণের ফলে শ্বাসজানিত রোগ সৃষ্টি হয়। পরিবেশের উপর বায়ু দূষণের দুটি প্রভাব হলো—বায়ু দূষণের ফলে পরিবেশের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে তথা পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে ও এসিড বৃষ্টি হচ্ছে । এছাড়াও মানুষ ফুসফুসের ক্যান্সার, শ্বাসজনিত রোগসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
কাঁসা একটি অন্যতম কুটির শিল্প
বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়
মিরাজুল ইসলাম, প্রভাষক
ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ
বাংলাদেশের অর্থনীতি
কৃষি ও শিল্প
১০. ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলায় কোন শিল্পের অধিকাংশ কারখানা রয়েছে? শিল্পটি সম্পর্কে চারটি বাক্য লেখ।
উত্তর : ঢাকা , নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলায় বস্ত্র শিল্পের অধিকাংশ কারখানা রয়েছে। বস্ত্র শিল্প সম্পর্কে চারটি বাক্য—
১. এ দেশের তাঁত শিল্পে উন্নতমানের সুতি, সিল্ক ও জামদানি শাড়ি তৈরি হচ্ছে।
২.এক সময় এ দেশের তৈরি মসলিন কাপড় জগিবখ্যাত ছিল।
৩.দেশের বস্ত্র শিল্পগুলো দেশের বস্ত্রের চাহিদা সস্পূর্ণ মেটাতে পারে না।
৪.প্রতিবছর আমাদের বিদেশ থেকে বস্ত্র আমদানি করতে হয়।
১১. বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের গুরুত্ব পাঁচটি বাক্যে লেখ।
উত্তর : বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের গুরুত্ব নিচে পাঁচটি বাক্যে লেখা হলো—
১.বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় পোশাক কারখানা গড়ে উঠছে।
২.এসব পোশাক কারখানায় প্রচুর পোশাক তৈরি হচ্ছে।
৩.এসব পোশাক বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে।
৪.ফলে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হচ্ছে।
৫.অনেক নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে।
১২. কামাল সাহেবের কারখানায় কার্পেট, রশি ও বস্তা তৈরি হয়। এগুলো তৈরিতে কী ব্যবহার করা হয়? উক্ত দ্রব্য সম্পর্কে চারটি বাক্য লেখ।
উত্তর : কার্পেট, রশি ও বস্তা তৈরিতে পাট ব্যবহার করা হয়।
পাট সম্পর্কে চারটি বাক্য—
১.কাঁচামাল হিসেবে পাট আমরা বিদেশে রপ্তানি করি।
২.পাটজাত বিভিন্ন পণ্যও বিদেশে রপ্তানি করা হয়।
৩.পাটকলগুলো প্রধানত নারায়ণগঞ্জ, চাঁদপুর, খুলনার দৌলতপুরসহ নদী তীরবর্তী অঞ্চলে স্থাপন করা হয়।
৪.পরিবহন সুবিধার কারণে পাটকলগুলো নদী তীরবর্তী অঞ্চলে স্থাপন করা হয়।
১৩. ক্ষুদ্র পরিসরে বাড়িঘরে অল্প পরিমাণে তৈরি করা হয় তাকে কোন শিল্প বলে? এ ধরনের একটি শিল্পের নাম লেখ। শিল্পটি সম্পর্কে তিনটি বাক্য লেখ।
উত্তর : যখন কোনো পণ্য ক্ষুদ্র পরিসরে বাড়িঘরে অল্প পরিমাণে তৈরি করা হয় তাকে কুটির শিল্প বলে।
কাঁসা একটি অন্যতম কুটির শিল্প।
কাঁসা শিল্প সম্পর্কে তিনটি বাক্য—
১.গৃহস্থলির নানা কাজে কাঁসার তৈরি জিনিস ব্যবহার করা হয়।
২.জামালপুর জেলার ইসলামপুর এবং টাঙ্গাইল জেলার কাগমারি কাঁসা শিল্পের জন্য বিখ্যাত।
৩.ঢাকা জেলার ধামরাইয়ে প্রচুর কাঁসার জিনিসপত্র তৈরি করা হয়।
১৪. বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের পাঁচটি গুরুত্ব উল্লেখ কর। উত্তর : আমাদের দেশের পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের পাঁচটি গুরুত্ব উল্লেখ করা হলো—
১.ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প শত শত বছর ধরে আমাদের ঐতিহ্যকে লালন করেছে।
২.এসব ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প গ্রামবাংলার মানুষের দৈনন্দিন চাহিদা পূরণ করছে।
৩.স্বল্প শিক্ষিত মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করছে।
৪.দেশীয় পণ্য উত্পাদনে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করছে।
৫.দেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখার পাশাপাশি জাতীয় আয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
