‘শিল্পে সমস্যার মূল মধ্যমস্তরের অব্যবস্থাপনা’

আপডেট : ০৭ জুলাই ২০১৫, ১৮:৫২
 
শিল্প কারখানায় অধিকাংশ সমস্যার মূলে মধ্যমস্তরের কর্মকর্তাদের অব্যবস্থাপনা দায়ী বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেন—শ্রমিক আর শিল্প বাঁচলেই দেশ বাঁচবে। শ্রমিকদের নিরাপত্তাসহ মানবাধিকার নিশ্চিত করতে তাই মধ্য স্তরের ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ও মালিকদের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন জরুরি।
 
মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে একটি হোটেলে এ সংশ্লিষ্ট একটি প্রকল্পের উদ্বোধনের লক্ষ্যে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ‘জাতিসংঘের ব্যবসা ও মানবাধিকার নীতিমালার আলোকে বাংলাদেশের ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করতে দক্ষতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক ওই প্রকল্পটি পরিচালনা করছে বেসরকারি সংস্থা অ্যাকশন এইড।
 
এ সময় বক্তারা বলেন—শিল্প কারখানার উত্পাদনশীলতা বাড়াতে এবং সংকট নিরসনে শ্রমিকের চাইতে মালিকপক্ষের দায়িত্ববোধ বেশি প্রয়োজন। জাতিসংঘের নীতিমালার বিষয়ে মালিকদের সচেতনতা বাড়াতে হবে। এ জন্য ট্রেড ইউনিয়নের কোনো বিকল্প নেই। অন্যদিকে শ্রমিকদের সচেতন করতে তাদের যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।
 
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের যুগ্ম পরিদর্শক এম জহুরুল হক বলেন, ‘কারখানায় ট্রেড ইউনিয়ন থাকলে শতকরা ৮০ শতাংশ মালিক শ্রমিকদের অধিকার মেনে নেন। তবে অনেক ক্ষেত্রে ট্রেড ইউনিয়ন নেতারা তাদের দায়িত্বের বিষয়ে সচেতন নন।’
 
এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশে অ্যাকশন এইডের পরিচালক আসগর আলী সবরী, শ্রমিক নেতা ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম খান, রায় রমেশ চন্দ্র এবং রেঁনেসা কনসালটেন্সি লিমিটেডের পরিচালক পারভীন এস হুদা প্রমুখ।