রাজশাহী রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের (আরআরএফ) ১১ সদস্যকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় ইফতারির পরপরই তারা একযোগে অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে রাজশাহী পুলিশ লাইনস হাসপাতালে এবং পরে রাত নয়টার দিকে সবাইকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতলে ভর্তি করা হয়। তবে কি কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন এ নিয়ে কেউ মুখ খুলছেন না। ফলে পুলিশের সদস্যদের একযোগে অসুস্থতা নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।
রামেক হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক নাজমুল হাসান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অসুস্থদের সকলকে ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।
এরা হলেন- পুলিশ কনস্টেবল হারুন অর রশিদ (২১), রাফিউল্লাহ (২০), জয় মাহামুদ (২০), মেহেদী হাসান (২২), আজম (২০), আমিরুল ইসলাম (২০), জাহাঙ্গীর হোসেন (২০), শহিদুল্লাহ (২০), সেলিম (২০), ফিরোজ (২০) ও সাইফুল ইসলাম (২০)।
এদিকে হাসপাতালের আরেকটি সূত্র নিশ্চিত করে, ১৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কয়েকজনকে ৮ নম্বর ওয়ার্ডে (নিউরো সার্জারি) পাঠানো হয়েছে। ওই ওয়ার্ডে পাঠানোর পরপরই অসুস্থতার ঘটনায় রহস্যের সৃষ্টি হয়।
অসমর্থিত সূত্রে জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় আরআরএফ’র দেওয়া ইফাতর করেন সেখানে প্রশিক্ষণরত পুলিশ সদস্যরা। এর কিছুক্ষণ পরই তাদের আবার শাস্তিমূলক কঠোর প্রশিক্ষণে পাঠানো হয়। এরপর একে একে অন্তত ১৮ জন সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের মধ্যে ১১ জনকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আরো কয়েকজন পুলিশ লাইনস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে আরআরএফ থেকে দাবি করা হয়েছে গরমের মধ্যে প্রশিক্ষণ করায় অসুস্থ হয়ে পড়েন তারা। যদিও এই বিষয়ে কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তা মুখ খুলেননি।
