ফেলানি হত্যা মামলার শুনানির তারিখ চতুর্থবারের মত পেছালো

আপডেট : ১৪ জুলাই ২০১৫, ০২:২৬

চতুর্থ বারের মত পেছালো ভারতের সুপ্রিম কোর্টে ফেলানি হত্যা মামলার শুনানির তারিখ। মামলার প্রধান কৌঁসুলি ভারতের সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট অর্পনা ভাটের বরাত দিয়ে গতকাল সোমবার বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী পরিচালক মামলার দ্বিতীয় বাদী অ্যাডভোকেট সালমা আলী জানান, কোর্টের নির্দেশে আজ ১৪ জুলাই মঙ্গলবারের পরিবর্তে ২১ জুলাই প্রধান বিচারপতির কোর্টে এ মামলার শুনানি হবে। প্রধান বিচারপতি নিজেই এ মামলার শুনানি শুনবেন। এই মামলায় এর আগে শুনানির তারিখ আসলে বিএসএফ’র পক্ষ থেকে প্রতিবারই সময় চেয়ে আবেদন করায় ৪ বার শুনানির তারিখ পড়েছে।

 
অ্যাডভোকেট সালমা আলী বলেন, ফেলানি হত্যা ঘটনায় স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ বিচার এবং ক্ষতিপূরণ আদায়ে ২০১৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ফেলানির বাবা নূর ইসলাম প্রথম ও আমি দ্বিতীয় বাদী হয়ে আইন ও বিচার বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের (ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়া) সচিব এবং বিএসএফ’র মহাপরিচালককে বিবাদী করে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট নয়াদিল্লীতে ভারতীয় সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩২ অনুযায়ী রিট পিটিশন দাখিল করা হয়। আদালত পরে সেটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে। বাদীর পক্ষ থেকে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট অর্পনা ভাটকে এ মামলার কৌঁসুলি নিয়োগ করা হয়। এছাড়াও সহযোগিতা করছেন অ্যাডভোকেট উপাসনা, অ্যাডভোকেট তানিমা কিশোরসহ ভারতের বেশ কয়েকজন মহিলা আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী।
 

তিনি আরো বলেন, ফেলানি হত্যা মামলা পুনঃবিচারে সেনাবাহিনীর কোর্ট মার্শালের সমতুল্য বিএসএফ’র জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্ট বা জিএসএফসি বিএসএফ সদস্য অমীয় ঘোষকে বেকসুর খালাস দিলেও আমরা বিশ্বাস করি চলমান এ মামলায় স্বচ্ছ এবং ন্যায় বিচার পাব। ফেলানীর বাবা নূর ইসলাম বলেন, সরকার ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো আগের মত সহায়তা পেলে আমি আমার মেয়ে হত্যার ন্যায় বিচার পেতে আইনি লড়াই চালিয়ে যাব।