রাজশাহী বোর্ড চেয়ারম্যানকে অপসারণের দাবিতে

আপডেট : ১৪ জুলাই ২০১৫, ১৯:৫১
অনিয়ম করে ১৮ শিক্ষক-কর্মচারীর নিয়োগের পর এডহক ভিত্তিতে আরো তিন কর্মচারীকে নিয়োগ দিয়েছেন রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান। এসব নিয়ে ফুঁসে উঠেছে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। বিক্ষুব্ধ কর্মচারীদের মধ্যে মারামারি এবং নিজ কার্যালয়ে সচিবকে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদ এবং অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে চেয়ারম্যান আবুল হায়াতের অপসারণের দাবি জোরদার হচ্ছে।
 
মঙ্গলবার দাবির সমর্থনে নগরীতে বিক্ষোভ সমাবেশ, সংবাদ সম্মেলন, মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদান ও অবস্থান কর্মসূচি পালন হয়েছে। ফলে রাজশাহী বিভাগে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানটিই অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ছে।
জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর শাহ্ মখদুম কলেজে শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে রাজশাহী জেলা জাতীয় শিক্ষক-কর্মচারী ফ্রন্ট। এ সময় জেলা শিক্ষক-কর্মচারীর ফ্রন্ট ঈদের পরে শিক্ষাবোর্ড ঘেরাও কর্মসূচি ঘোষণা দেন।
 
সংবাদ সম্মেলনে ফ্রন্টের জেলা শাখার আহ্বায়ক অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা লিখিত বক্তব্য বলেন, ‘গত ৭ এপ্রিল থেকে বর্তমান শিক্ষাবোর্ডের দুর্নীতিবাজ চেয়ারম্যান আবুল হায়াতের অপসারণের দাবিতে আমরা আন্দোলন করে আসছি। অবিলম্বে এই দুর্নীতিবাজ চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবি করছি। একই দাবিতে পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর শিক্ষাবোর্ড ঘেরাও কর্মসূচি ঘোষণা করছি।’
 
এ প্রসঙ্গে শিক্ষাবোর্ডের সচিব আবুল কালাম আজাদের অভিযোগ, ‘চেয়ারম্যানের ইন্দনেই বোর্ডে নানা অনিয়ম ঘটে চলেছে। এ কারণেই তার লোকেরা এখন বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন।’
 
তবে চেয়ারম্যান আবুল হায়াতের সঙ্গে অনেক চেষ্টার পরও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
 
প্রসঙ্গত, গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় শিক্ষাবোর্ডে সচিব আবুল কালাম আজাদের দপ্তরে ইউনিয়নের সভাপতি শেখ কামাল হোসেনকে মারপিট করেছেন উপ-কলেজ পরিদর্শক নুরুজ্জামান, কর্মচারী মুক্তার হোসেন ও আফতাব হোসেন। অভিযুক্তরা সবাই শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যানের আস্থাভাজন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলে জানা গেছে।