নিয়ম বহির্ভূতভাবে পরিচালিত হচ্ছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের বিভিন্ন কার্যক্রম। সে সব অনিয়মের বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাখ্যা তলব করলেও ব্যাংকের পক্ষ থেকে দেয়া হচ্ছে মনগড়া জবাব। আর অনিয়মের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে তা বাংলাদেশ ব্যাংককে জানাতে বলা হলেও কারো বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না ব্যাংক। তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংককে অবহিতও করছে না। একই ঘটনায় দু দফায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা লংঘন করায় ব্যাংকটিকে জরিমানা করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংক কোম্পানী আইন অনুযায়ী এ জন্য এক লাখ টাকা জরিমানা হতে পারে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে।
সম্প্রতি বৈদেশিক বাণিজ্য ও বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন সংক্রান্ত বিশদ পরিদর্শনে কৃষি ব্যাংকের কার্যক্রমে বিভিন্ন অনিয়ম পায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শক দল। তবে সেসব অনিয়মের মধ্যে বেশির ভাগই পরে সংশোধন ও সমন্বয় করা হলেও কিছু বিষয় অমিমাংসিতই থেকে যায়। এর মধ্যে অন্যতম হলো ভল্ট রক্ষণাবেক্ষন ও খোলা বিষয়ে যে অনিয়ম। এ ক্ষেত্রে সংঘটিত অনিয়মের বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাখ্যা চায়।
নিয়মানুযায়ী সকাল ১০টার আগে ব্যাংকের ভল্ট খোলার কথা থাকলেও নির্দিষ্ট সময়ের কমপক্ষে ২০ মিনিট পর ভল্ট খোলা হয়। যা পরিদর্শক দলের কাছে ধরা পড়ে। এ বিষয়ে ওই ব্যাংকের দেয়া ব্যাখ্যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি। তাই ভল্ট খোলা বিষয়ে অনিয়মকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়ে তা জানাতে বলা হলেও তা জানাচ্ছে না ওই ব্যাংক। দুদফায় এ নির্দেশনা লংঘন করায় ওই ব্যাংককে এক লাখ টাকা জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএ ইউসুফের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
