নতুন মুদ্রানীতি যথাযথভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই। আর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে কিছু বিষয়ে জোর দেয়া প্রয়োজন বলে সংগঠনটি মনে করে।
এ সব বিষয়ে মধ্যে রয়েছে—২০২১ সালে বাংলাদেশকে একটি মধ্য আয়ের দেশে পরিণত করার উদ্দেশ্যে ৮% জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে জিডিপির ৩৪ শতাংশ বিনিয়োগ নিশ্চিতকরণ। পর্যাপ্ত মুদ্রা সরবরাহ ও বিনিয়োগ বান্ধব সুদের হার ও ব্যাংক চার্জ কার্যকর করা। ক্ষুদ্র ও মাঝারী খাত (এসএমই), মহিলা উদ্যোক্তাসহ সকল ক্ষেত্রে ব্যাংকসমূহ কর্তৃক খাতভিত্তিক ঋণ প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণকরণ এবং সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে এনে ঋণ গ্রহনের সুযোগ প্রদান করা। উত্পাদনশীল খাতে বিনিয়োগ নিশ্চিত করা এবং ঋন বিতরণে গুণগত মানের প্রতি বেশি নজর দেয়ার পাশাপাশি মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা। রপ্তানি নীতিমালায় ঘোষিত আর্থিক সহায়তা ও প্রণোদনা প্যাকেজসমূহ বাস্তবায়নের যথাযথ সংস্থান নিশ্চিতকরণ। পিপিপি প্রকল্পসমূহে বিদেশি ও দেশি মুদ্রার যথাযথ সরবরাহের সংস্থান করা। লাগসই বিনিময় হার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণের কথা বলা হয়েছে।
একই সঙ্গে বিনিয়োগের স্বার্থে সকল খাতের ব্যাংক ঋণের সুদের হার কস্ট অফ ফান্ডের সঙ্গে আইড়াই শতাংশ যোগ করে যা হয় তার মধ্যে আনা প্রয়োজন বলে এফবিসিসিআই মনে করে। এ ছাড়া, বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের উত্সাহিত করতে অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করাসহ সুলভ ও সহজ শর্তে ঋণ প্রবাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। আর অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও উত্পাদন খাতে বিদ্যুত্ ও জ্বালানি নিশ্চিতকরণ এবং শ্রমের দক্ষতা বাড়ানো জরুরি বলে সংগঠনটি মনে করে।
