পলিথিন, প্লাস্টিক এবং পলিমার জাতীয় দ্রব্য সম্বন্ধে জনগণ সচেতন না হলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এই জাতীয় দ্রব্য পরিবেশদূষণে বড় ভূমিকা রাখবে। গ্রামের দিকে নজর দিলে দেখা যায় নদী-নালা এমনকি ছোট ছোট ডোবায় পলিথিন ও প্লাস্টিক ভাসতে। পুকুর বা জলাশয়ে হাত-পা ধুতে গেলে বা দৈনন্দিন বিভিন্ন কাজে আমাদের এই নোংরা পলিথিন সরিয়ে নিতে হয়। জীবনের প্রতি ক্ষেত্রে বিকল্প সামগ্রী হিসেবে পলিমারের ব্যবহার হচ্ছে। ব্যাগ থেকে ওষুধের বোতল, খাবার পাত্র থেকে ফুলের টব—বিভিন্ন ক্ষেত্রে চটের তৈরি ব্যাগ হোক কিংবা কাচের শিশি অথবা চিনেমাটির থালা কিংবা মাটির টব—এসব কিছুরই বিকল্প হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে প্লাস্টিক। অপেক্ষাকৃত সস্তা, বহনযোগ্য হওয়ার কারণে অতি দ্রুত জনপ্রিয়তা পেয়েছে এই পলিমারের তৈরি সামগ্রী। এগুলোর ব্যবহার নিয়েও রয়েছে যথেষ্ট আপত্তি। আবার সাধারণ মানুষ সচেতনতার অভাবে প্লাস্টিকের সামগ্রী যত্রতত্র ফেলে দিচ্ছে। যেহেতু প্লাস্টিকের সামগ্রী মাটিতে মিশে যায় না, এর একাংশ পুনরায় ব্যবহারযোগ্য নয়, তাই ক্রমশ তা বর্জ্য হিসেবে জমা হচ্ছে শহর এবং লোকালয়ের বুকে। আর তা থেকে ছড়াচ্ছে মারাত্মক দূষণ। পলিমার সামগ্রী পুড়িয়ে ফেললে আরো বিপদ; হাইড্রোকার্বন হয়ে বাতাসে মিশে তা বাড়িয়ে দেয় দূষণের মাত্রা। তাই পরিবেশদূষণ রোধে এবং সুস্থ-সুন্দর জীবনের লক্ষ্যে পলিথিন এবং পলিমার জাতীয় দ্রব্যের ব্যবহার বর্জন অপরিহার্য।
মো.ওসমান গনি শুভ
শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
