আগামী বছর অনুষ্ঠিতব্য টি-২০ বিশ্বকাপে নিরাপত্তার কারণে মহারাষ্ট্রের দুই ভেন্যু মুম্বাই এবং নাগপুরে পাকিস্তানের কোন ম্যাচ না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।
বোর্ডের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মূলত রাজনৈতিক দল শিব সেনা সমগ্র প্রদেশে আইন-শৃংখলার সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে বিবেচনা করে মহারাষ্ট্র প্রাদেশিক সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। টুর্নামেন্টের অপর ভেন্যুগুলো হচ্ছে কোলকাতা, ধর্মশালা, ব্যাঙ্গালুর, চেন্নাই, দিল্লি ও মোহালী।
বিসিসিআই’র এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিসিসিআই সম্পাদক অনুরাগ ঠাকুর মহারাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং যেহেতু রাজনৈতিক বিভিন্ন দল প্রতিবাদ করতে পারে, সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে ও পুরো প্রদেশে আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে। তাই প্রাদেশিক সরকার সেখানে পাকিস্তানের কোন ম্যাচ না রাখার পরামর্শ দিয়েছে। এমনটা হলে আগামী বছর উভয় দেশের পরিস্থিতি কি হবে আমরা জানি না, তবে আমরা কোন ঝুঁকি নিতে চাই না।
সূত্রটি আরো জানায়, মহারাষ্ট্রের দুই ভেন্যু ওয়াংখেড়ে এবং নাগপুরে যাতে পাকিস্তানের কোন ম্যাচ না থাকে ড্র’র মাধ্যমে আমরা এটা নিশ্চিত করতে চাই। যেহেতু ফইনাল ইডেন গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হবে । তাই পশ্চিম বাংলায় কোন সমস্যা হবে না।
এর আগে প্রাদেশিক হকি এবং কাবাডি লীগে পাকিস্তানী খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণের বিরোধীতা করেছে শিব সেনা। যে কারণে মর্যাদাকর এই টুর্নামেন্টে তাদেরকে নতুন করে কোন সুযোগ দিতে চায়না বিসিসিআই।
অবশ্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি) এখনো টি-২০ বিশ্বকাপের ড্র ঘোষণা করেনি। তবে ভারত, পাকিস্তান এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের একই গ্রুপে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের ভাষ্যমতে চেন্নাই অথবা মোহালিতে ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি হতে পারে।
