উপজেলা নির্বাচন

মানিকগঞ্জে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান হচ্ছেন আওয়ামী লীগের তিন প্রার্থী

আপডেট : ০৬ মার্চ ২০১৯, ০০:২৯

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জের সাতটি উপজেলার তিনটিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছাড়া কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। ফলে তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। তারা হলেন, মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় ইসরাফিল হোসেন, সাটুরিয়া উপজেলায় আবদুল মজিদ এবং শিবালয় উপজেলায় রেজাউর রহমান জানু। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, তৃতীয় ধাপে আগামী ২৪ মার্চ মানিকগঞ্জের সাতটি উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবদুল মজিদ এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান চেয়ারম্যান বশির উদ্দিন মনোনয়নপত্র জমা দেন। মঙ্গলবার বশির উদ্দিন তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। শিবালয় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রেজানুর রহমান এবং অর্থবিষয়ক সম্পাদক আবদুর রহিম খান মনোনয়নপত্র জমা দেন। আবদুর রহিম খান মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইসরাফিল হোসেন (আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী) জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আতাউর রহমান (বর্তমান চেয়ারম্যান) এবং জেলা জাকের পার্টির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আকবর আলী চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দেন। গত রবিবার আতাউর রহমান এবং আকবর আলী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এতে সদর, সাটুরিয়া এবং শিবালয় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছাড়া আর কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। এ কারণে উপজেলা তিনটিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।

এদিকে মঙ্গলবার দৌলতপুর উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তোজাম্মেল হকও মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। তিনি বলেন, জনগণের মতামতের প্রেক্ষিতে তিনি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেন। তবে দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। এই উপজেলায় আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী নূরুল ইসলামসহ জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য আবদুল কাদের এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আমিনুর রহমান মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

গত ২০১৪ সালের উপজেলা নির্বাচনে মানিকগঞ্জের সাতটি উপজেলার সবকটিতে বিএনপির প্রার্থীরা বিজয়ী হন।