সোনা চোরাচালানে জড়িত বিমানের লোকেরা বহাল তবিয়তে

আপডেট : ২৩ আগস্ট ২০১৫, ০০:৩৯

সোনা চোরাচালানের সাথে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জড়িত থাকার একটি অভিযোগ দীর্ঘদিন যাবত্ ধামাচাপা পড়ে আছে। অভিযুক্তদের অধিকাংশই বহাল তবিয়তে রয়েছেন। শুধু তাই নয়, অভিযুক্ত কোনো কোনো কর্মকর্তা বিমানের ভিভিআইপি ফ্লাইটে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। একটি গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থা বিমানের ২৭২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে সোনা চোরাচালানে জড়িত থাকার ব্যাপারে সরকারের কাছে সম্প্রতি এক লিখিত অভিযোগ দেয়। অভিযুক্তদের মধ্যে বিমানের ৫ জন পাইলট, ৪ জন কো-পাইলট ছাড়াও নিরাপত্তা বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার মমিনুল ইসলাম, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জেনারেল ম্যানেজার এয়ারপোর্ট সার্ভিসেস আতিক সোবহান, ডেপুটি চিফ অব ট্রেনিং শামিম নজরুলের নাম রয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ জানানো হয়। রিপোর্টটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় হয়ে বিমানের পরিচালনা পর্ষদে যায়। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিমানের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা হলেও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

 

প্রসঙ্গত, সোনা চোরাচালানের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে গোয়েন্দা পুলিশ গত বছর নভেম্বর মাসে বিমানের চিফ অব প্লানিং অ্যান্ড সিডিউলিং ক্যাপ্টেন আবু মোহাম্মদ আসলাম শহীদ, উপ-মহাব্যবস্থাপক (ফ্লাইট সার্ভিস) এমদাদ হোসেন এবং ম্যানেজার (সিডিউলিং) তোজাম্মেল হোসেনকে গ্রেফতার করে। একই সাথে তাদের সহযোগী মাহমুদুর হক পলাশ এবং হারুন অর রশীদ নামক দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদকালে তারা সোনা চোরাচালান নিয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করে। কিন্তু তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও চাপা রয়েছে।