সীমান্ত উত্তেজনা: পুনরায় রাষ্ট্রদূত তলব ভেনিজুয়েলা ও কলম্বিয়ার

আপডেট : ২৮ আগস্ট ২০১৫, ১৪:২৮
আলোচনার জন্য কলম্বিয়া ও ভেনিজুয়েলা বৃহস্পতিবার পুনরায় নিজ নিজ রাষ্ট্রদূতদের তলব করেছে। প্রায় এক সপ্তাহ আগে কারাকাস তাদের অভিন্ন সীমান্ত বন্ধ করে দেয়ায় দুই দেশের মধ্যে শুরু হওয়া উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রদূতদের তলব করা হল। খবর এএফপি’র।
 
ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো গত শুক্রবার অনির্দিষ্টকালের জন্য সীমান্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। একটি হামলার ঘটনায় চারজন আহত হওয়ার পর সীমান্ত অঞ্চলের একটি অংশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।
 
কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস বৃহস্পতিবার বলেন, তার দেশ যা ঘটেছে তা বিশ্বকে জানাতে চায়। কারণ এটা পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য।
 
তিনি বলেন, ভেনিজুয়েলার যে সীমান্ত শহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে সে এলাকা পরিদর্শনে কলম্বিয়ার এক কর্মকর্তাকে অনুমতি দেয়া সংক্রান্ত একটি চুক্তি করতে কারাকাস ব্যর্থ হওয়ার পর তিনি তার দূতকে তলবের সিদ্ধান্ত নেন।
 
সান্তোস আরো বলেন, তিনি তার পররাষ্ট্র মন্ত্রীকে দক্ষিণ আমেরিকার আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোট ইউএনএএসইউআর’র পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের একটি বিশেষ বৈঠক ডাকার নির্দেশ দিয়েছেন।
 
এর কিছুক্ষণ পর ভেনিজুয়েলার পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডেলসি রডরিগুয়েজ ঘোষণা দেন, আলোচনার জন্য কলম্বিয়ায় নিযুক্ত দূতকে তলব করা হয়েছে। তিনি এক টুইটার বার্তায় বলেন, নিকোলা মাদুরোর নির্দেশনার ভিত্তিতে কলম্বিয়ায় আমাদের দূত ইভান রিনকনকে তলব করা হয়েছে।
 
সীমান্ত বন্ধ করে দেয়ার পর ভেনিজুয়েলা সরকার ব্যাপক বহিষ্কার শুরু করেছে। কলম্বিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী জুয়ান ফার্নান্দো ক্রিস্টো একে ‘মানবিক ট্রাজেডি’ বলে উল্লেখ করেছেন।
 
সর্বশেষ সরকারি তথ্যানুযায়ী, ভেনিজুয়েলা থেকে ১ হাজার ৯৭ জনকে কলম্বিয়ায় ফেরত পাঠানো হয়েছে। আর প্রায় ৬ হাজার লোক স্বেচ্ছায় ভেনিজুয়েলা ত্যাগ করেছে।
 
ভেনিজুয়েলা ও কলম্বিয়ার মধ্যকার ২ হাজার ২শ’ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। সীমান্ত নিয়ে দেশ দু’টির মধ্যে ২০০৮ সালে প্রায় যুদ্ধাবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল।