ভালো ফলের প্রত্যাশা ফুটবলারদের

আপডেট : ০৬ মার্চ ২০১৯, ২১:৪২

কম্বোডিয়ায় ফিফা প্রীতি ম্যাচ

সোহেল সারোয়ার চঞ্চল

প্রিমিয়ার ফুটবল লিগের খেলা চলছিল। তাই এক সেশনও জাতীয় ফুটবল দলের হয়নি। লিগে খেলেই গতকাল সকালে ২৩ ফুটবলার কম্বোডিয়া যাওয়ার প্লেনে উঠেছেন। কম্বোডিয়ার বিপক্ষে শনিবার ফিফা প্রীতি ম্যাচ নমপেনের জাতীয় স্টেডিয়ামে।

যাওয়ার আগে ঢাকায় না হলেও কম্বোডিয়ার মাঠে দুই বেলা অনুশীলন করার সুযোগ পাবে দলটাকে দেখে গুছিয়ে নেয়ার জন্য। কাকে কিভাবে কোথায় সেট করবেন তা নিয়েই দুই সেশন মাঠে কাজ করতে পারবেন বাংলাদেশ ফুটবল দলের ব্রিটিশ কোচ জেমি ডে।

বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবলে ১০ অক্টোবর আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছিল বাংলাদেশ। অনেক দিন পর আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে গেলেও ফিফার প্রীতি ম্যাচটি নিয়ে ফুটবল অঙ্গনে অনেক প্রত্যাশা। জাতীয় দলের পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনা কমাতে চান ফুটবলাররা। কম্বোডিয়ার বিপক্ষে জয়ের কথা বলে গেছেন কোচ। ফুটবলারদের কণ্ঠে সেই আওয়াজটা খুব বেশি জোরে শোনা না গেলেও তারা জয় নিয়ে ফেরার আশা করছেন। ফুটবলারদের কণ্ঠে ভালো ফলের প্রত্যাশা। এর পেছনে যুক্তিও তুলে ধরছেন। লিগের পুরো সময়টা টানা খেলা হয়েছে। ক্লাব ফুটবলে খেলোয়াড়রা কঠিন অনুশীলনেই ছিলেন। ফিটনেস নিয়ে ভাবছেন না খেলোয়াড় এবং কোচ জেমি ডে। খেলোয়াড়রা মনে করছেন কোচ যেভাবে সাজিয়ে দেবেন সেভাবেই তারা মাঠে লড়াই করবেন।

ফিফার র্যাংকিংয়ে কম্বোডিয়ার স্থান ১৭২ এবং বাংলাদেশের স্থান ১৯২। র্যাংকিয়ের চেয়ে বাংলার ফুটবলাররা ভাবছেন কিভাবে ম্যাচ জেতা যায়। দলের ম্যানেজার সত্যজিত দাস রুপুও সেটাই ভাবছেন। কম্বোডিয়ামে কারিয়ে ফিফার র্যাংকিংয়ে উন্নতি হবে। বলছিলেন ‘র্যাংকিংটা উন্নতি হোক। সেটাই এখন মাথায় রয়েছে। আর এর জন্য দরকার টিম ওয়ার্ক।

ফুটবলাররা বলছেন জেমি ডের গড়া দলটি ব্যালান্সড দলে হয়েছে। শক্তি বেড়েছে। বিশেষ করে আক্রমণে শক্তির ধার চোখে পড়বে। সেটা দেখাতে চান খেলোয়াড়রা। আক্রমণভাগে স্ট্রাইকার জীবন, মতিন মিয়ারা ভালো করছে। গোল পাচ্ছেন লিগ ম্যাচে। জীবন এরই মধ্যে ৬ গোল করেছেন। মতিন মিয়া ৪ গোল করেছেন। বিদেশি স্ট্রাইকারদের ভিড়ে দেশিদের গোল পাওয়া এগিয়ে যাওয়া আশা জাগায়। জাতীয় দলের জার্সি গায়ে এখন তাদের পরীক্ষা দেবার পালা। গতকাল সকালে ঢাকার ছাড়ার আগে বিমানবন্দরে সংবাদ মাধ্যমকে নাবীব নেওয়াজ জীবন জানিয়েছেন, কম্বোডিয়া তার জন্য নতুন পরীক্ষা। কারণ কম্বোডিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ আগে খেললেও সেখানে তিনি খেলার সুযোগ পাননি। আবাহনীর জীবনের কাছে কম্বোডিয়া অচেনা একটি দল। জীবন বলেন, ‘আগের দুই ম্যাচ খেলিনি। আমার কাছে অপরিচিত। তবে আমি আমার সেরাটা দিয়ে লড়াই করতে প্রস্তুত রয়েছি।’ আরেক ফরোয়ার্ড আবাহনীর আতিকুর রহমান ফাহাদ বলেন,‘আমাদের দলটা বেশ ব্যালেন্সড একটা দল হয়েছে। বিশেষ করে আক্রমণভাগের পার্টটা খুব ভালো।’

দলে একেবারে নতুন মুখ শেখ রাসেলের সোহেল রানা। আরেক নতুন মুখ হচ্ছেন ডিফেন্ডার মঞ্জুরুর রহমান মানিক। মানিক নতুন হলেও এশিয়ান গেমসে যাওয়ার আগে ইন্দোনেশিয়া ও কাতারে অনুশীলন ক্যাম্পে ছিলেন। পরে বাদ পড়েন মানিক।

কম্বোডিয়ায় জন্য বাংলাদেশ দল

  গোলকিপার সোহেল, আশরাফুল রানা, জিকো, ইয়াসিন খান, তপু, বাদশা, বিশ্বনাথ, রহমত, মানিক, সুশান্ত, বিপলু, ফাহাদ, সোহেল রানা, জামাল ভুইয়া, রবিউল, ইমন বাবু, জনি, রুবেল, জীবন, সবুজ, মতিন মিয়া, ইব্রাহিম, সুফিল।