উখিয়ায় বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এসব কুকুরের অবাধ বিচরণ নিয়ে জনমনে শংকার সৃষ্টি হয়েছে। জলাতংক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের নিয়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা। এ পর্যন্ত শিশু, কিশোর, বৃদ্ধসহ ৭জন আক্রান্ত হয়েছেন। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
বাকি আক্রান্তরা অজ্ঞতা বা অর্থাভাবে ভেকসিন নিতে ব্যর্থ হওয়ায় তারা বিভিন্ন ওঝা, কবিরাজ ও বৈদ্যের কাছে থেকে ঝাড়ফোকড় ও বনাজি চিকিৎসা নিচ্ছে। ওষুধ সেবন করে নিরাময় হওয়ার চেষ্টা করলেও আক্রান্ত ব্যক্তিরা যেকোনো সময় জলাতংক রোগে আক্রান্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন উপজেলা হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. ফিরুজ খান। তিনি আরো জানান, ভেকসিনের অভাবে আক্রান্তদের চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।
সাধারণ মানুষের অভিযোগ- পথে ঘাটে, লোকালয়ে, হাট বাজারে কুকুরের কামড়ের ভয়ে চলাফেলা করতে হচ্ছে। কুকুরের তান্ডবে আক্রান্ত বটতলী গ্রামের দিনমজুর মিয়া হোছন (৫৫) জানায়, তিনি মরিচ্যা বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে কুকুর কর্তৃক আক্রান্ত হয়। উখিয়া সদর হাসপাতালে গিয়ে ভেকসিন না পাওয়ায় তাকে কক্সবাজার হাসপাতাল থেকে ভেকসিন দিতে হচ্ছে। বিনা মূল্যে ভেকসিন সরবরাহ দিলেও আসা-যাওয়া বাবদ তাকে তিন গুণ খরচ বহন করতে হচ্ছে। রাজাপালং ইউনিয়নের লম্বাঘোনা গ্রামের সমিরণ বড়ুয়া জানায়, তার ১২বছরের ছেলে আশিষকে কুকুরে কামড় দিয়েছে। উখিয়ার ফার্মেসী থেকে ভেকসিন দিতে গিয়ে তাকে ৫হাজার টাকা গুনতে হয়েছে।
