‘টিআইবি মোটেই একচোখা নয়’

আপডেট : ০৬ মার্চ ২০১৯, ২২:৫৪

গণমাধ্যমে প্রচারিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ- টিআইবি সম্পর্কে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যানের অমূলক ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য হতাশাব্যঞ্জক বলে অভিহিত করেছে সংগঠনটি। গতকাল বুধবার এক বিবৃতিতে সংস্থাটি বলছে, দুদকের কর্তৃপক্ষ টিআইবির কর্মপরিধি ও কার্যক্রম সম্পর্কে ওয়াকিবহাল বলেই ধারণা করতো টিআইবি। কিন্তু দুঃখজনকভাবে দুদক চেয়ারম্যানের বক্তব্যে তা ভুল প্রতীয়মান হয়েছে। টিআইবি কোনোভাবেই ‘একচোখা’ নয়; টিআইবির সকল অবস্থান, প্রতিবেদন ও বক্তব্য সম্পূর্ণ বস্তুনিষ্ঠ ও বৈজ্ঞানিকপন্থায় প্রণীত গবেষণাপ্রসূত ও নিরপেক্ষ। 

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, টিআইবি শুধু বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও খাতের সুশাসনের ঘাটতি ও দুর্নীতি সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের ওপর নির্ভর করে ঘাটতি চিহ্নিত করে না বরং প্রতিটি ক্ষেত্রেই সমস্যা উত্তরণে সুনির্দিষ্ট সুপারিশমালা প্রদান করে থাকে। টিআইবি প্রণীত প্রতিটি গবেষণা প্রতিবেদনেই সংশ্লিষ্ট খাতের বা প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি ইতিবাচক অর্জনসমূহ অত্যন্ত বস্তুনিষ্ঠভাবে উপস্থাপন করা হয়। 

ড. জামান  বলেন, আগ্রহী যে কারো জন্য টিআইবির আয়-ব্যয়ের হিসেব সংক্রান্ত নথিপত্র সর্বদা উম্মুক্ত। দুদক যদি টিআইবির আর্থিক প্রতিবেদনসহ সার্বিক কার্যক্রমের ব্যাপারে কোনোরূপ সন্দেহ প্রকাশ করে, তাহলে দুদক সহজেই টিআইবি সম্পর্কে তদন্ত করে দেখতে পারে। দুদককে এ ব্যাপারে পূর্ণ সহায়তা প্রদানে আমরা প্রস্তুত।

তিনি আরো বলেন, টিআইবির গবেষণা কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনা নতুন কিছু নয়, এটা এখন আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশে পরিণত হয়েছে। তবে দুদকের মতো একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান, যার আইনগতভাবে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ থাকার কথা, যখন একই সংস্কৃতির প্রভাবে প্রভাবিত হয়, তখন তা সত্যিই দুঃখজনক। টিআইবি বিশ্বাস করে, সমালোচনা সহ্য করার মত সত্সাহস দুদক অর্জন করবে। আর যা-ই হোক দুদক কোনো রাজনৈতিক বা সরকারি প্রতিষ্ঠান নয়!