বিশাল আকৃতির কচু। ভ্যানে করে বিক্রি করছেন বিক্রেতা। কেজি বিক্রি হচ্ছে পঞ্চাশ টাকা দরে। কচু কিনতে ও দেখতে চারপাশে অসংখ্য লোকের ভিড়। কাছে গিয়ে জানা গেল, এক কচুর ওজন একচল্লিশ কেজি। আর কেজি দরে একেকটি কচু বিক্রি হচ্ছে আড়াই হাজার টাকা। শনিবার সকালে ঝালকাঠির রাজাপুর প্রেসক্লাব চত্তরে দেখা মেলে এ কচুর। স্থানীয়ভাবে চায়না কচু নামে এটি পরিচিত। তবে কৃষি অফিসের মতে, এটি হাইব্রিড মান কচু।
কচু বিক্রেতা হারুন মিরা জানান, উপজেলার পুটিয়াখালী ও মীরেরহাট এলাকার বেশ কয়েকটি বাড়িতে চাষাবাদ হচ্ছে এ কচু। বাড়ির আঙিনায় তিন থেকে চার ফুট গর্ত করে ছাই ও আবর্জনা দিয়ে এর উপরে চারা রোপন করতে হয়। একটি কচু ৩৫কেজি থেকে এক মণ ওজন হতে সময় লাগে আড়াই থেকে তিন বছর। এক মণ ওজনের একটি কচু ষোলশ থেকে দুই হাজার টাকায় কিনে আড়াই হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। কচুর নিচের অংশ কেজি বিক্রি হয় পঞ্চাশ টাকা দরে। আর উপরের ডগার সম্পূর্ণ অংশ বিক্রি হয় সাড়ে চারশ থেকে পাঁচ শত টাকায়। গত পাঁচ বছর যাবৎ এ কচু ফেরি করেই সংসার চালান হারুন মিয়া।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রিয়াজ উল্লাহ বাহাদুর বলেন, ‘এটি হাইব্রিড জাতের মান কচু। এটি বাড়ির আঙিনায় চাষ করা হয়। তবে এ কচু চাষ অত্যন্ত লাভজনক হওয়ায় এর বিস্তার ঘটাতে এলাকার কৃষকদের মধ্যে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।’
ভ্যানে করে হাইব্রিড মান কচু বিক্রিতে ব্যস্ত বিক্রেতা
