বেড়ে চলেছে পাঠাও-এ নারী উদ্যোক্তার সংখ্যা

আপডেট : ০৭ মার্চ ২০১৯, ২১:১৪

বিগত এক বছরে পাঠাও-এর সহযোগী নারী উদ্যোক্তার সংখ্যা প্রত্যাশিত মাত্রার চেয়েও অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে পাঠাও-এর সেবার ব্যাপ্তি আরও সম্প্রসারিত হয়েছে। এক বছরে এই সংখ্যাটি বেড়ে যাওয়ার পিছনে পাঠাও-এর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।

পাঠাও ব্যবহারি নারী উদ্যোক্তারা প্রধানত যেসব ব্যবসা করেন সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ড্রেস এবং জামাকাপড়, মেকআপ ও মেকআপ সামগ্রী, হ্যান্ডমেড ক্র্যাফটস, জুয়েলারি ও জুয়েলারি সামগ্রী, ব্যাগ এবং জুতার অনলাইন দোকান।

উদ্যোক্তারা দেশি বিদেশি বিভিন্ন সূত্র থেকে পণ্য সংগ্রহ করে থাকেন। অনেকেই আবার নিজেই কর্মী নিয়োগ করে পণ্য তৈরি করে থাকেন। কেনাবেচা হয় অনলাইনে, ফেসবুক পেজে বা নিজস্ব ওয়েবসাইটে। লেনদেন হয় বিকাশের মাধ্যমে বা পণ্য পৌঁছানোর পর ক্যাশ-অন-ডেলিভারির মাধ্যমে।

উদ্যোক্তারা সাধারণত নিজেদের বাসা থেকেই তাদের অনলাইন দোকানগুলোর ব্যবসা পরিচালনা করে থাকেন। এরকম ছোট দোকানগুলোর জন্য একজন ডেলিভারি কর্মীকে নিয়োগ দেওয়া বেশ ব্যয়বহুল। এখন পাঠাও-এর জন্য এই খরচ এবং ঝামেলা থেকে মুক্তি পাচ্ছেন উদ্যোক্তারা। পাঠাও-এর জন্য উদ্যোক্তারা দেশব্যাপী তাদের ক্রেতার কাছে নিজেদের পণ্য পৌঁছে দিতে পারছেন। পাঠাও আসার আগে কুরিয়ার সার্ভিস দিয়ে ঢাকার বাইরে পণ্য পৌঁছাতে ৪ থেকে ৭ দিন সময় লেগে যেত। কালেকশন পয়েন্টে গিয়ে পণ্য সংগ্রহ করতে হতো। ঢাকার বাইরে খুব একটা শিপমেন্ট করা ছিল বেশ ঝামেলার। এখন পাঠাও দেশের ৫৩টি জেলায় ক্রেতাদের বাড়ির দোরগোড়ায় পণ্য পৌঁছে দিচ্ছে। এর ফলে উদ্যোক্তাদের বিক্রিও বেড়েছে।

নারী উদ্যোক্তাদের জন্যে আরও একটি সুবিধা করে দিয়েছে পাঠাও। বিভিন্ন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পণ্য পৌঁছে দেওয়া ছিল খুব অসুবিধার ব্যাপার। উদ্যোক্তারা অনেকেই কোনো আত্মীয় বা কর্মীদের দিয়ে কুরিয়ার সার্ভিসের সেবা নিতেন। এর ফলে বেড়ে যেত খরচ ও কাজের পরিমাণ। পাঠাও কুরিয়ার ব্যবহার করে পণ্য পৌঁছানো বেশ নির্ঝঞ্ঝাট। প্রচুর নারী উদ্যোক্তা এখন সরাসরি পাঠাও-এর সঙ্গে কাজ করতে সাচ্ছন্দ বোধ করেন। এতে করে তাদের অতিরিক্ত খরচ এবং অপ্রয়োজনীয় কাজের পরিমাণ কমেছে।

ক্রেতাদের বিভিন্ন চাহিদা পূরণ করছে এইসব উদ্যোক্তা। দেশব্যাপী ক্রেতাগণ পেয়ে যাচ্ছেন তাদের পছন্দের পণ্য। এসব কারণে অনলাইন বাজারে নারী উদ্যোক্তার সংখ্যা বেড়ে চলেছে।

পাঠাও যদিও নারী উদ্যোক্তাদের কথা চিন্তা করে তাদের কুরিয়ার সার্ভিস শুরু করেনি, তারপরও সেবার গুণগত মান দিয়ে পাঠাও নারী উদ্যোক্তাদের অনেক সুযোগ-সুবিধা করে দিয়েছে এবং কমিয়ে দিয়েছে বাড়তি খরচ ও শ্রম।

বেড়ে চলেছে উদ্যোক্তাদের সংখ্যা। তাল মিলিয়ে বাড়ছে নারী উদ্যোক্তাদের সংখ্যাও। এগিয়ে যাচ্ছে দেশের নারী উদ্যোক্তারা।