খুলনায় বাবা-মেয়ের নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। হত্যাকাণ্ডের আগে দুর্বৃত্তরা ব্যাংক কর্মকর্তা পারভীন সুলতানাকে (২৬) ধর্ষণ করেছে। পরে তাকে ও তার বৃদ্ধ বাবা ইলিয়াস হোসেন চৌধুরীকে (৭০) শ্বাসরোধ করে হত্যা করে তাদের লাশ সেপটিক ট্যাঙ্কের ভিতর ফেলে দিয়েছে।
এই জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন প্রতিবেশীকে আটক করেছে। গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার নিবাস চন্দ্র মাঝি ওই বাড়ি পরিদর্শনে এসে তালা ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় দেখা যায়, এটি টিনসেড আধাপাকা বাড়ি। ঘরের বাইরে (বাউন্ডারির ভেতরে) থাকা বাথরুমের দু’টি ভাঙ্গা সেপটিক ট্যাংক। হত্যাকাণ্ডের পর বাবা-মেয়েকে এর মধ্যেই ঢুকিয়ে রাখা হয়। তবে ঘরের আসবাবপত্র ও অন্যান্য মালামাল তছনছ করা ছিল।
লবণচরা থানার ওসি মোশারফ হোসেন জানান, লাশ দুটির গলায় শ্বাসরোধের চিহ্ন রয়েছে। ঘাতকরা নিহতদের পূর্ব পরিচিত বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘাতকদের চিনে ফেলায় তাদের হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তিনি জানান, পারভীন সুলতানার দেহ বিবস্ত্র অবস্থায় ছিল। নিহতদের বাসার বাইরে থেকে একটি হাসুয়া উদ্ধার করা হয়েছে। ঘরের ভেতর সিগারেট খাওয়ার চিহ্ন রয়েছে।
