দক্ষিণাঞ্চলে বিশেষ লঞ্চ সার্ভিস চালু আজ থেকে

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৫, ০০:৩১

ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখো এবং ঈদ শেষে কর্মস্থলমুখী যাত্রীদের জন্য বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় অর্ধশত নৌ-রুটে বিশেষ লঞ্চ সার্ভিস শুরু হচ্ছে আজ সোমবার থেকে। ঈদের পর বিশেষ সার্ভিস চলবে ২ অক্টোবর পর্যন্ত। এদিকে ঈদকে সামনে রেখে দক্ষিণাঞ্চলের নৌ-রুটগুলোতে বাড়ানো হচ্ছে লঞ্চ ভাড়া। বিশেষ সার্ভিসে প্রতিদিন ঢাকা-বরিশাল নৌ-রুটে চলাচল করবে ১২ থেকে ১৫টি লঞ্চ।

 
লঞ্চ মালিকরা সারা বছর যাত্রীদের কাছে যে রেটে ভাড়া নিয়ে মুনাফা করে থাকেন, ঈদ এলেই সেই চিত্র পাল্টে যায়। লঞ্চ মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু লঞ্চ ভাড়া বাড়ানোর বিষয়টি স্বীকার করে বলেছেন, তারা সরকার নির্ধারিত ভাড়ার মধ্যেই বাড়তি ভাড়া নেবেন। ২১ সেপ্টেম্বর থেকে তারা বর্ধিত ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন শুরু করবেন। এবারের ঈদুল আজহায় ডেক ৩০০, সিঙ্গেল (এসি/ননএসি) ১৫০০ এবং ডাবল (এসি/ননএসি) ২৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ৪ হাজার টাকার ভিআইপি কেবিনের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা।
 
সালমা শিপিং লাইন্সের স্বত্বাধিকারী মঞ্জুরুল আহসান ফেরদৌস জানান, সারা বছর লঞ্চ মালিকরা সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে ৩০ থেকে ৪০ ভাগ কম ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন করেন। এতে অনেক রুটে লোকসানও হয়। ঈদের সময় যাত্রী বেশি হওয়ার কারণে ওই লোকসান কাটিয়ে ওঠার সুযোগ আসে।
 

যাত্রীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ব্যাপারে বরিশাল নৌ-বন্দরের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের উপ-পরিচালক আবুল বাশার মজুমদার জানান, অতিরিক্ত যাত্রীবহন রোধ, প্রয়োজনীয় বয়া এবং প্রশিক্ষিত চালক ও অন্যান্য কর্মচারী যাতে লঞ্চে থাকে সে ব্যাপারে দক্ষিণাঞ্চলের সব স্টেশনে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বিআইডব্লিউটিএ-এর চেয়ারম্যান কমোডর এম মোজাম্মেল হক ইত্তেফাককে বলেন, সরকার নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না করতে লঞ্চ মালিকদের প্রতি আহবান জানানো হয়েছে। যারা এর বাইরে ভাড়া আদায় করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।