বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদীর তীরে আরো অর্ধশতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এরমধ্যে তৃতীয় তলা ও চতুর্থ তলা বিশিষ্ট ভবনও রয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিআইডাব্লিউটিএ দ্বিতীয় দফা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। এই নিয়ে গতকাল পর্যন্ত নদী উদ্ধারে ১৮শ’ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হলো।
বিআইডব্লিউটিএ বন্দর পরিচালক শফিকুল হক বলেন, উচ্ছেদ ও খনন একই সঙ্গে চলবে। বুধবার শুধু খনন কাজ চালানো হলেও গতকাল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের সঙ্গে খনন কাজও অব্যাহত ছিল। তিনি আরো বলেন, বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদীর বসিলা ব্রিজ থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত উচ্ছেদ ও খননের পাশাপাশি উদ্ধারকৃত জমি বিআইডব্লিউটিএর পাহারায় রাখা হবে। এ উচ্ছেদকে এলাকাবাসী গতকালও সাধুবাদ জানিয়েছে। এলাকাবাসী বিআইডব্লিউটি’র কর্মকর্তাদের উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রাখায় ধন্যবাদ জানায়। নদী খননকে একনজর দেখার জন্য এলাকার উত্সুক জনতা তুরাগ পারে ভিড় জমায়। মধুসিটির নদীর জমিসহ ১১৮ একর সরকারি জমি উদ্ধার ও ঢাকা হাউজিং ও উদ্যান, চন্দ্রিমা হাউজিং ও উদ্যানের দখলকৃত সকল জমি উদ্ধারের জন্য বিআইডব্লিউটিএ’র কর্মকর্তাদের উত্সাহ যোগায় এলাকাবাসী।
ঢাকা নদী বন্দর যুগ্ম পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন জানান, বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদী যতদিন পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ উদ্ধার না হবে ততোদিন পর্যন্ত এ উচ্ছেদ ও খনন কাজ অব্যাহত রাখা হবে। মধুসিটি, আমিন মমিন হাউজিং, ঢাকা হাউজিং ও চন্দ্রিমা হাউজিংসহ কোনো অবৈধ দখলদারই উচ্ছেদ অভিযান থেকে ছাড় পাবে না।
