হজের অংশ হিসেবে মিনার বড় জামারাকে (বড় শয়তান) লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করতে যাওয়ার পথে পদদলিত হয়ে নিহত হন শত শত হাজি। এর মধ্যে ইরানের হাজিরাও ছিলেন। এ ঘটনায় ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের বিভিন্ন দূতাবাসে শোকবই খোলার যে নির্দেশ দিয়েছে তার সমালোচনা করেছে সৌদি আরব। দেশটি অভিযোগ করে বলেছে, তাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতেই এই শোকবই খোলা হচ্ছে।
সৌদি কর্তৃপক্ষ এক প্রতিক্রিয়ায় বলেছে, বর্তমান সৌদি সরকার পবিত্র দুটি মসজিদ এবং সেখানে হজ ও ওমরাহ’র জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা লোকজনের সেবায় বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। মিনা দুর্ঘটনায় ইরানসহ বিভিন্ন দেশের হাজিদের হতাহতের ঘটনায় সৌদি কর্তৃপক্ষ গভীরভাবে মর্মাহত। শুরু থেকেই এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন সৌদি বাদশাহ সালমান। এছাড়া ইরানের কর্মকর্তাদের সৌদি আরবে গিয়ে আহত ইরানি হাজিদের চিকিত্সার খোঁজখবর নেয়া, নিহতদের মরদেহ শনাক্ত করাসহ সব ধরনের সহায়তা দেয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ২৪ সেপ্টেম্বর মক্কার নিকটবর্তী মিনায় হজের সময় শয়তানকে লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়তে যাওয়ার পথে পদদলিত হয়ে শত শত হাজি মারা যান। সৌদি কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, মৃতের সংখ্যা ৭৬৯ জন। কিন্তু বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবরে বলা হয়েছে এই সংখ্যা এক হাজারের বেশি।
