২৪ ঘণ্টা পানিতে ভেসে থেকে বিশ্ব রেকর্ড গড়লেন মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ইসমানির চরের হাফিজ আহাম্মেদ ভুলু ও জালাল আহাম্মেদ। বুধবার বিকাল ৪টায় তারা এই রেকর্ড গড়েন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবা বিলকিস হাফিজ আহাম্মেদ ভুলু ও জালাল আহাম্মেদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন । এর কিছুক্ষন পরই জালাল অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ভবের চর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এসব তথ্য দিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবা বিলকিস জানান, মঙ্গলবার বিকাল ৪ টায় এলাকাবাসীর আয়োজনে এক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে পানিতে মাথা না ভিজিয়ে ফুলদি নদীতে ভেসে থেকে বিশ্ব রেকর্ড গড়তে পানিতে নামেন তিনি। হাফিজের এই চেষ্টাতে উৎসাহ যোগাতে রসুলপুর খেয়া ঘাট ও ফুলদী নদীর দুই পাড়ে জমা হন হাজারো মানুষ। তবে এটি হাফিজের একক পানিতে মাথা না ভিজিয়ে থাকার অনুষ্ঠান হলেও অবশেষে এটি পরিণত হয় প্রতিযোগিতায়। হাফিজের সাথে আরো বেশ কয়েকজন পানিতে নেমে পড়ে ভেসে থাকতে।
তবে কেউই ২৪ ঘণ্টা ভেসে থাকতে পারেনি। পানিতে ভেসে থেকেই ২৪ ঘণ্টার খাওয়া-দাওয়াও করেন হাফিজ ও জালাল। তাদের ইচ্ছা, পর্যায়ক্রমে আরো দীর্ঘ সময় নিয়ে তিনি ঠাঁইহীন পানিতে থাকার চেষ্টা করা এবং এক সময় গ্রীনিজ বুকে নিজের নাম লিখিয়ে রেকর্ড গড়ার। হাফিজ স্থানীয় ইসমানির চর গ্রামের ও জালাল স্থানীয় ঘোষাইচরের বাসিন্দা।
গজারিয়া থানার ওসি মো. হেদায়েতুল ইসলাম ভূইয়া জানান, বিষয়টি আত্মঘাতী মূলক হওয়া সত্তেও থানা পুলিশকে কেউ অবহতি করেননি। এই নিয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারপরেও ঘটনাস্থলে তিনি নিজের বিবেক ও দায়িত্বের তাগিদে উপস্থিত ছিলেন। সার্বক্ষনিক পুলিশ পাঠিয়ে সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষন করেছেন।
এদিকে মঙ্গলবার এই ভেসে থাকা অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সাংসদ অ্যাড. মৃনাল কান্তি দাস। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট উপজেলা চেয়ারম্যান রেফায়েত উল্লাহ খাঁন তোতা ,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবা বিলকিসও উপস্থিত ছিলেন।
