সম্প্রতি ডেনমার্কের কোপেন হেগেনে অনুষ্ঠিত হলো ইউরোপিয়ান একাডেমী অব ডার্মাটোলজী কনফারেন্স। বাংলাদেশ থেকে এবার এই কনফারেন্সে যোগদান করেছিলেন অন্তত: ৭ জন স্কিন বিশেষজ্ঞ। তন্মধ্যে ছিলেন প্রখ্যাত চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এমইউ কবির চৌধুরী, অধ্যাপক সামিউল হক, চর্মরোগ ও লেজার বিশেষজ্ঞ ডা: সরকার মাহবুব আহমদ শামীম সহ কয়েক জন। প্রফেসর কবীর চৌধুরী স্যারের গাইডলাইন অনুসারে আমি আর ডা: শামীম বিভিন্ন সেমিনারে অংশ নেই। সব সময় আমার ইন্টারেস্ট থাকে হেয়ার ডিজ অর্ডার সম্পর্কে আপটুডেট কিছু জানা। কোপেন হেগেন কনফারেন্স সম্পর্কে আগামী সংখ্যায় বিস্তারিত লিখবো। তবে আজ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে লিখতে চাই। আর তা হচ্ছে স্টেরয়েড ইনডিউসড হাইপারট্রাইকোসিস বা অতিরিক্ত লোম গজানো সম্পর্কে। ইদানিং প্রচুর কম বয়সী মহিলা রোগী পাচ্ছি যাদের মুখে অতিরিক্ত লোম হচ্ছে। হরমোন টেস্ট করে দেখেছি এদের বেশীরভাগেরই রক্তে হরমোন স্বাভাবিক মাত্রায় রয়েছে। নেই থাইরয়েড সমস্যা অথবা পলিসিস্টিক ওভারী সমস্যা। আমরা যারা লেজার বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করছি তারা এসব রোগীদের সাধারণত লেজার করার পরামর্শ দেই। যেহেতু রক্তে হরমোন স্বাভাবিক সে কারণে হরমোন চিকিত্সা দেবার প্রয়োজন পড়েনা। কিন্তু এবার কোপেনহেগেনে কনফারেন্সে একাধিক প্রখ্যাত চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ মেয়েদের মুখে অতিরিক্ত লোম গজানোর ক্ষেত্রে অন্যতম একটি কারণ হিসেবে স্টেরয়েড এবং স্টেরয়েড মিশ্রিত ওষুধকে অনেকাংশে দায়ী করেছেন।
বাড়ী-১৭ , রোড-৬, ধানমন্ডি, ঢাকা
