'মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করছে সরকার'

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০১৫, ১৫:২৫
সড়ক যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, 'মিয়ানমারের সঙ্গে অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক উন্নয়নে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। সীমান্ত যোগাযোগ বৃদ্ধির লক্ষে উখিয়ার বালুখালী থেকে ঘুমধুম সীমান্ত পর্যন্ত চার লেনের আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর ২কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ কাজ শিগগিরই শুরু করা হবে। ২০১৭ সালের মাঝামাঝি এটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হবে।'
 
শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে প্রায় ঘণ্টা ব্যাপী সড়ক যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী কাষ্টমস ঘাট থেকে মিয়ানমার সীমান্তের ঘুমধুম পর্যন্ত প্রস্তাবিত সীমান্ত সড়ক প্রকল্প এলাকা পরিদশন করেন। মন্ত্রী এ সময় বলেন, 'ইতিপূর্বে প্রস্তাবিত সড়কটি দু’লেনে নির্মাণের খসড়া মন্ত্রী পরিষদে ও জাতীয় অর্থনৈতিক নির্বাহী পরিষদ একনেক- এর সভায় উপস্থাপন করা হয়। সভায় প্রধানমন্ত্রী ভবিষ্যত গুরুত্বের কথা বিবেচনা করে প্রস্তাবিত সীমান্ত সড়কটি দু-লেনের স্থলে চার লেনে উন্নীত করার নির্দেশ দেন। ইতিমধ্যে এ প্রকল্পটি একনেক- এর সভায় অনুমোদন লাভ করেছে। প্রকল্প ব্যয় ৫৫ কোটি থেকে বাড়িয়ে ৮৪ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। সড়ক বিভাগের তত্ত্বাবধানে সেনাবাহিনীর ১৭ ইসিবির নির্মাণ প্রকৌশল ব্যাটলিয়ান বা ইসিবি প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়ন করবে।' বর্তমানে প্রকল্প এলাকায় ধান ক্ষেত থাকায় আগামী নভেম্বরে ধান কাটা শেষ হলে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু করা হবে বলে মন্ত্রী জানান। 
 
এ সময় মন্ত্রী আরও বলেন, 'মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘকালের ঐতিহাসিক ও দ্বিপাক্ষিক সু-সম্পর্ক রয়েছে। প্রস্তাবিত সড়কটি নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করা হলে মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের ব্যবসা বাণিজ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি, যোগাযোগ, পর্যটনসহ সর্বোপরি অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দার উন্মোচিত হবে। এতে সরকারের আর্থিক প্রবৃদ্ধি অর্জনসহ এলাকায় ব্যবসা বাণিজ্যের দ্রুত সম্প্রসারণ হবে। 
 
পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইসিবির প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আব্দুল ওহাব, বিজিবির কক্সবাজারের সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল এম এম আনিসুর রহমান, কক্সবাজার ১৭ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্ণেল রবিউল ইসলাম, সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রানা প্রিয় বড়ুয়া, কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার নাথসহ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা।