রিয়াদ হত্যা মামলা: জসিমের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

আপডেট : ৩০ অক্টোবর ২০১৫, ২১:৩৮
 
মতিঝিলের ঘরোয়া হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের কর্মী রিয়াদ হোসেনকে (১৭) গুলি করে হত্যার মামলায় ওই হোটেলের কর্মী জসিম উদ্দিনকে সাত দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। শুক্রবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করলে শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।
 
এ দিকে, ঘটনার তিন দিন পার হলেও হোটেল মালিক আরিফুল ইসলাম সোহেলকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। অভিযোগ উঠেছে, ঘটনার পর দীর্ঘক্ষণ সোহেল মতিঝিল এলাকায় এবং পরে ওয়ারী থানার আশপাশ এলাকায় অবস্থান করছিলেন। পুলিশ তখন তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা করেনি। তবে পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
 
আদালত সূত্রে জানা গেছে, জসিম উদ্দিনকে শুক্রবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য দশ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ওয়ারী থানার পরিদর্শক (পরিদর্শক) আলিম হোসেন সিকদার। পরে শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মোল্লা সাইফুল আলম সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
 
ঘরোয়া হোটেলে কর্মরত কর্মচারীরা অভিযোগ করে বলেন, হত্যাকাণ্ড ঘটানোর পর মঙ্গলবার গভীর রাত পর্যন্ত সোহেল অবস্থান করছিলেন ওয়ারী থানার সামনে। বুধবার দুপুর পর্যন্ত তিনি শান্তিনগরের পীর সাহেবের গলির ৫৯, চামেলীবাগের বাড়িতে অবস্থান করেছিলেন। বুধবার দুপুর ১টার পর পরিবারকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বেরিয়ে গা ঢাকা দেন। ওই সময়ের মধ্যে পুলিশ তাকে গ্রেফতারের কোনো চেষ্টাই করেনি, বরং থানা পুলিশের মাধ্যমে রিয়াদের আত্মীয়স্বজনকে ম্যানেজ করে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালিয়েছিলেন সোহেল। এ নিয়ে সোহেলের ছোট ভাই রাসেলকে দিয়ে নিহতের পরিবারের সঙ্গে সমঝোতা করার চেষ্টা চালানো হয়।
 
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক আলিম হোসেন সিকদার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তারা আসামি সোহেলকে গ্রেফতারের চেষ্টা করছে। একজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোহেলের অস্ত্রের লাইসেন্সের বৈধতা যাচাই করা হচ্ছে। সোহেল যাতে পালিয়ে যেতে না পারে সে জন্য সব থানা ও ইমিগ্রেশনে বার্তা দেয়া হয়েছে।