ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি হোসেন খালেদ বলেছেন, শিল্প কারখানায় মানসম্মত বিদ্যুত দেয়া না হলে অর্থনৈতিক উন্নয়নের সব স্বপ্ন ভেস্তে যাবে। তাই যেভাবেই হোক শিল্পে নির্ভরযোগ্য বিদ্যুতের সরবরাহ দিতে হবে। ব্যবসায়িক কাজে অপ্রয়োজনীয় খরচ ও সময় কমাতে সরকারকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে তিনি ব্যবসায়িক কাজের সার্টিফিকেট ও লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে অযথা হয়রানী ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমিয়ে ডিজিটাইজেশন করার তাগিদ দেন।
শনিবার ডিসিসিআইয়ের বোর্ড রম্নমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দানকালে তিনি এ সব কথা বলেন।
ব্যবসা করার খরচের ÿেত্রে বাংলাদেশের পিছিয়ে যাওয়া সংক্রান্ত্ম বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন পর্যালোচনায় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সভায় ডিসিসিআইর ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি হুমায়ুন রশীদ, সহসভাপতি মো. শোয়েব চৌধুরী, পরিচালক এ কে ডি খায়ের মোহাম্মদ খান, আব্দুস সালাম, হোসেন আকতার, এবং বিল্ড-এর সিইও ফেরদৌস আরা বেগমসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
ডিসিসিআই সভাপতি হোসেন খালেদ বলেন, বিনিয়োগ সম্প্রসারণে বিনিয়োগ বোর্ডের ওয়ান স্টপ সার্ভিস দেয়ার কথা থাকলেও তা দেয়া হচ্ছে না। এ প্রতিষ্ঠানটি কার্যকর ভূমিকা রাখলে বিনিয়োগে বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
তিনি বলেন, ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে সহজ করতে সরকারের ইচ্ছা থাকলেও তার সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। সরকার নানা আইন করেও তার বাস্ত্মবায়ন হচ্ছে না। আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় তা আটকে যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে নিবন্ধ উপস্থাপন করে হোসেন খালেদ বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে বিদেশি নানা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের সম্ভাবনার কথা বলছে। এ সব সম্ভাবনাকে বাস্ত্মবে রূপান্ত্মরিত করতে হলে জ্বালানির নিশ্চয়তা দিতে হবে। সরকার বলছে, আগামি ১৫ বছরের মধ্যে গ্যাসের মজুদ শেষ হয়ে যাবে। সে ক্ষেত্রে বিদ্যুতই হবে মূল ভরসা। এ দিকে, বিদ্যুতও ঠিকভাবে দেয়া হচ্ছে না।
এক প্রশ্নের জবাবে হোসেন খালেদ বলেন, ব্যবসায়ের খরচ কমানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে শিল্পের জন্য মানসম্মত বিদ্যুতের সরবরাহ দেয়া। বর্তমানে সরকার অনেক বিদ্যুত উৎপাদন করছে। আবাসিক খাতে বিদ্যুতের উন্নতিও হয়েছে। কিন্তু শিল্পে তার প্রভাব না পড়লে অর্থনীতিতে তা কাজে আসবে না। এমনিতেই প্রতিবছর ৩০ লাখ মানুষ কর্মসংস্থানের খোঁজে আসছেন। তাদের জন্য কাজের সুযোগ করে দিতে হলে শিল্পে মানসম্মত বিদ্যুতের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। কয়লা হোক কিংবা সোলার হোক যে মাধ্যমেই হোক শিল্পে সরবরাহের জন্য মানসম্মত বিদ্যুতের ব্যবস্থা করতে হবে।
সার্টিফিকেটশন ও লাইসেন্স নেয়ার ক্ষেত্রে মাসের পর মাস ঘুরার পরিস্থিতি বন্ধ করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদশেে ব্যবসা পরচািলনায় অযথা ব্যয় কমানোর জন্য নতুন ব্যবসায়কি লাইসনে্স প্রাপ্তি প্রক্রয়াির স্তর কমানো ও নীতমািলা সহজীকরণ করতে হব।ে তনি বিলনে, বাংলাদশীে পণ্য বদিশেে রপ্তানরি ক্ষত্রেে র্বতমানে প্রযোজ্য ১২টি ডকুমন্টেরে পরর্বিতে ৭টি ডকুমন্টে বাধ্যতামূলক করা যতেে পার।ে তনি আিমদান-রিপ্তানরি ক্ষত্রেে সংশ্লষ্টি কাগজপত্র অনলাইনরে মাধ্যমে জমাদানরে ব্যবস্থা প্রচলনরে প্রস্তাব করনে। ডসিসিআিই সভাপতি বলনে, ব্যবসা-প্রতষ্ঠািনরে অফসি বা র্কাযালয় ক্রয়রে ক্ষত্রেে আরোপতি সাড়ে ১৩ শতাংশ ট্যাক্স অরোপরে ফলে ব্যবসায়ীদরে অতরিক্তি ব্যয় র্নবািহ করতে হচ্ছ।ে
তনি জািনান, বাংলাদশেে নতুন বাণজ্যিকি বদ্যিুত্ সংযোগ প্রাপ্তরি ক্ষত্রেে ৪০৪ দনি এবং বাণজ্যিকি ভূমি বা সম্পত্তি নবিন্ধনরে জন্য ২৪৪ দনি লগেে যায়। এ ধরনরে র্দীঘসূত্রতার কারণে ব্যবসা পরচািলনায় বাংলাদশে পছিয়িে পড়ছ।ে তনি জািনান, ব্যবসা পরচািলানার পদ্ধতি সহজ করতে কোস্টারকাি, উগান্ডা, কনেয়াি, সাইপ্রাস, মৌরতািনয়াি, উজবকেস্তািন, কাজাকস্তািন, জ্যামাইকা, সনেগোল এবং বনেনি ৩৯টি নীতমািলায় সংশোধন এনছে,ে যখোনে বাংলাদশেরে অগ্রগতি আশাব্যঞ্জক নয়।
ঢাকা চম্বোর সভাপতি হোসনে খালদে র্বতমানে ট্রডে লাইসনে্স প্রাপ্তরি ক্ষত্রেে ৯ স্তর প্রক্রয়াি ৬ স্তরে নাময়িে আনা এবং তা ডজিটািল প্রক্রয়াির আওতায় নয়িে আসার সুপারশি করনে। এছাড়া প্রাইভটে ক্রডেটি ব্যুর্থোর প্রর্বতন করা, শল্পি-কারখানায় বদ্যিুত্ সংযোগ দ্রুততার সাথে দয়ো, র্কপোরটে ট্যাক্স হার কমানো, কোম্পানী ব্যবস্থাপনায় শয়োরহোল্ডরদরে ভূমকাি আরো বৃদ্ধি করা, ব্যবসায়কি বরিোধ নষি্পত্ততিে ্তুবকিল্প বরিোধ নষি্পত্তথি প্রক্রয়ািকে আরো র্কাযকরভাবে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করনে।
