তুরাগে ১২ বছরের কিশোরী ধর্ষণ, গ্রেফতার ১

আপডেট : ০৪ নভেম্বর ২০১৫, ১৭:২১
 
রাজধানীর তুরাগের চন্ডালভোগ এলাকায় ধর্ষণের শিকার হয়েছে ১২ বছরের এক কিশোরী। এই ঘটনায় মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে তুরাগের চন্ডালভোগ এলাকা থেকে ধর্ষণের অভিযোগে রশিদ আহাম্মেদ রেজা (৬০) নামের এক বৃদ্ধাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
 
জানা যায়, কিশোরীটি চন্ডালভোগের একটি প্রিন্টিং-এ চাকুরি করা কালে ০৩ মাস পূর্বে ছুটির দিনে বিকাল ৪ টার কাছাকাছি সময়ে বাসা হতে বের হয়ে পার্শ্ববর্তী দোকানে যাওয়ার পথে রশিদ আহম্মদ রেজা তার নিজ বাসায় কিশোরীকে ডেকে নিয়ে গিয়ে এক পর্যায়ে বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৪ টার দিকে বাসার নিচ তলার ভাড়াটিয়া রুমে দরজা বন্ধ করে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। এমনি ভাবে বিগত ০৩ মাসে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও প্রলোভন দেখিয়ে মেয়েটিকে প্রায় ৩/৪ দিন ধর্ষণ করে।
 
ক্ষতিগ্রস্ত কিশোরী জানায়, ঘটনাটি ঘটে গত ৩ মাস পূর্বে আমি তখন সালেহা প্রিন্টিং ডিয়াবাড়ীতে কাজ করতাম। প্রিন্টিং কারখানা ছুটির দিনে বিকাল প্রায় চারটার দিকে বাসা থেকে বেড় হয়ে দোকানের যাওয়ার সময় রশিদ আহাম্মেদ রেজা স্যার আমার গতিরোধ করে বলে চলো আমার বাসায় নিয়ে যাই। আমাকে বাসায় নিয়ে বাড়িটা ঘুড়িয়ে দেখানোর কথা বলে রেজা স্যারের বাসায় নিচ তলায় একটি রুমে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দিয়ে আমাকে ভয়ভীতি দেখায় এবং জোর পূর্বক ধর্ষণ করে এবং এই ঘটনা যদি কাউকে বলি তাহলে আমার প্রতিবন্ধি বাবা-মা কে মেরে ফেলবে বলে যানান। এ বিষয়ে পরিবারের সকলেই জেনে ফেলায় উক্ত এলাকার লোকজনকে জানানো হলে তারা একটি সালিশ-মীমাংসার আশ্বাস দিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালায়।
 
ক্ষতিগ্রস্ত কিশোরীর বড় ভাই আসাদুল ইসলাম জানায়, আমি একজন সবজি বিক্রেতা। আমি সকালে বাসা থেকে কাজের উদ্ধেশ্যে বেড় হই আর রাতে যাই। আমার ছোট বোন ডিয়াবাড়ী এলাকাতে একটি কার্টোন কারখানায় চাকরী করতো।আমার বাবা মা একজন প্রতিবন্ধি তারা কথা বলতে পারেনা। গত কাল মঙ্গলবার আমার পরিবার আমাকে ফোন কওে বাসায় আসতে বলে আমি বাসায় আসার পর আমার পরিবার আমাকে যানা নাসিমার শারিরীক অবস্থা ভালো না। আমি আমার ছোটবোনকে বারবার জিজ্ঞাসা করলে আমাকে রশিদ আহাম্মেদ রেজা সাহেবের কথা বলে বর্তমানে আমার ছোটবোন তিন মাসের অন্তসত্ত্বা। এরপর আমি ঘটনাটি এলাকার লোকজনকে জানালে তারা একটি সালিস-মীমাংসার আশ্বাস দিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালায়। আমি ঘটনাটি পরোবর্তীতে থানায় জানালে পুলিশ এসে থানায় নিয়ে যায়।
 
তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মাহাবুবে খোদা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভুক্তভোগী মেয়ের ভাই বাদী হয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। আমরা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছি।