রাবি'র কেন্দ্রিয় মসজিদ চত্বর থেকে গ্রেনেড উদ্ধার

আপডেট : ০৪ নভেম্বর ২০১৫, ২০:৪২
 
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনের চত্বরে একটি অবিস্ফোরিত গ্রেনেড উদ্ধার করেছে র‌্যাব। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিরা কাজ করার সময় মসজিদ চত্ত্বরে গ্রেনেডটি পরিত্যক্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে প্রক্টর অফিসকে জানায়।
 
প্রক্টর অফিসের মাধ্যমে খবর পেয়ে নগরীর মতিহার থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে গ্রেনেডটি চারদিক থেকে ঘিরে রাখে এবং র‌্যাবের বোমা বিশেষজ্ঞদের খবর দেয়। পরে জয়পুরহাটে অবস্থানরত র‌্যাবের বোমা বিশেষজ্ঞ দলের সদস্যরা সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের দিকে ক্যাম্পাসে পৌঁছে গ্রেনেডটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
 
নগরীর মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন, 'রাবির কেন্দ্রিয় মসজিদ চত্বরে গ্রেনেড পড়ে থাকার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। তবে গ্রেনেডটি সক্রিয় না নিস্ক্রিয় সেটা বুঝতে না পারায় ঘটনাস্থল ঘিরে রেখে র‌্যাব-৫ এর বোমা বিশেষজ্ঞ টিমকে খবর দেয়া হয়। কিন্তু র‌্যাবের বোমা বিশেষজ্ঞ টিমটি জয়পুরহাটে অবস্থান করায় শীঘ্রই গ্রেনেডটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। খবর পেয়ে র‌্যাবের বোমা বিশেষজ্ঞ টিম সন্ধ্যা ৬টার দিকে ক্যাম্পাসে পৌঁছে। ততক্ষণ পর্যন্ত পুলিশ কেন্দ্রীয় মসজিদ চত্বরে গ্রেনেডটি সর্তকতার সঙ্গে ঘিরে রাখে। সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের দিকে র‌্যাবের বোমা বিশেষজ্ঞ দলের সদস্যরা গ্রেনেডটি বিশেষ কর্ডনের সাহায্যে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
 
এদিকে র‌্যাব-৫, রাজশাহীর কোম্পানী কমান্ডার মেজর আব্দুর রহিম সাংবাদিকদের জানান, উদ্ধারকৃত বস্তুটি একটি গ্রেনেডের বডি মাত্র। এর ভেতরে কিছু নেই। কে বা কারা সেটি মসজিদ চত্ত্বরে রেখে গেছে, সে সম্পর্কে কিছু জানা যায় নি। 
 
এ ব্যাপারে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর তারিকুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, 'মসজিদ চত্বরে অবিস্ফোরিত তাজা গ্রেনেড পড়ে আছে, এটি ভয়ানক চিন্তার বিষয়। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে জড়িতদের চিহ্নিত ও দ্রুত আইনের আওতায় আনতে বলা হয়েছে।'