'শান্তির সমাজ প্রতিষ্ঠায় সমবায়ের বিকল্প নেই'

আপডেট : ০৭ নভেম্বর ২০১৫, ২১:৪৭
 
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশররাফ হোসেন বলেছেন, শান্তির সমাজ প্রতিষ্ঠায় সমবায়ের কোন বিকল্প নেই। সমবায়ীদের জন্য প্রয়োজনে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হবে। যাতে তারা বিনিয়োগের জন্য উপযুক্ত সুবিধা পায়।
 
খন্দকার মোশররাফ হোসেন আজ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ৪৪তম জাতীয় সমবায় দিবস-২০১৫ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তৃতায় বলেন, সমবায়ীদের সম্পদের সঠিক ব্যবহার করে বর্তমান সরকার সমবায়ীদেরকে লাভবান করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
 
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব এম এ কাদের সরকার। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গা। এ ছাড়া সমবায় অধিদফতরের নিবন্ধক ও মহাপরিচালক মো. মফিজুল ইসলামও বক্তব্য রাখেন।
 
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ১০ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে 'জাতীয় সমবায় পুরুস্কার-২০১৩' তুলে দেয়া হয়। ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে সকাল ১০টায় শুরু হয় ৪৪তম জাতীয় সমবায় দিবস-২০১৫ এর অনুষ্ঠান। এ দিবসের প্রতিবাদ হচ্ছে সমবায় উদ্যোক্তা সৃষ্টির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন।
 
খন্দকার মোশররাফ হোসেন বলেন, সমবায় সমিতিগুলো যাতে পুঁজির অভাবে কার্যক্রম পরিচালনায় সমস্যার সম্মুখীন না হয় সেজন্য বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক থেকে সহজ শর্তে ঋণদান করার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, তারা যেন কোন ধরনের হয়রানি ছাড়া সহজ শর্তে ঋণ সুবিধ পায় সেজন্য প্রধানমন্ত্রী পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক গঠন করেছেন।
 
সমবায় সমিতিগুলো সঠিক বিনিয়োগের অভাবে টিকে থাকতে পারছে না। বর্তমান পুঁজিবাদী অর্থনীতির গুরুত্বকে মেনে নিয়ে সমবায়ী উদ্যোক্তা সৃষ্টির মাধ্যমে পণ্য উৎপাদন এবং তা বিপণনের ব্যবস্থা করার মাধ্যমে সমবায় সমিতি গুলোকে সহায়তা প্রদানের জন্য সমবায় অধিদফতর ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
 
মন্ত্রী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান স্মরণ করে বলেন, তিনি সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টনের লক্ষ্যে সমবায়ের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে তার সেই লক্ষ্য আমরা এখনও বাস্তবায়ন করতে পারিনি। বাসস।