গতকাল বুধবার রাতে ফতুল্লায় প্রথম স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামী ও সতীন লাশ নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছিলেন, এমন অভিযোগ উঠেছে। বুধবার রাত ৯টায় ফতুল্লার ভুইগড় চৌড়াবাড়ি এলাকায় এঘটনা ঘটে। নিহতের নাম আসমা বেগম (২৮)। সে ফরিদপুর জেলার শালতা থানাধীন আটটুকরা গ্রামের বাদশা মাদবরের মেয়ে।
আসমার চাচা দুলাল জানান, আমাদের গ্রামের বাড়ির পার্শ্ববর্তী টিলারকান্দা গ্রামের ইব্রাহীমের ছেলে মনির হোসেন ৭ বছর পূর্বে আসমাকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তাদের ঔরষে এক ছেলে এক মেয়ে সন্তান জন্মগ্রহণ করে। সম্প্রতি মনির হোসেন আমাদের গ্রামের বাড়িতে শাহজাহানের মেয়ে শিল্পি আক্তারকে বিয়ে করে ফতুল্লায় চলে আসে। এরমধ্যে আসমাও সন্তানদের নিয়ে ফতুল্লায় এসে রেলষ্টেশন এলাকায় হালিম দারোগার বাড়িতে একটি রুম ভাড়া নিয়ে উঠেন।
মনির হোসেন ভুইগড় চৌড়াবাড়ি এলাকায় রিপনের বাড়িতে শিল্পিকে নিয়ে একটি রুম ভাড়া নিয়ে উঠে। আসমা অন্যের বাড়িতে গৃহপরিচারিকার এবং মনির রাজ মিস্ত্রির কাজ করে। তাদের মধ্যে পূর্ব থেকে বিরোধ চলে আসছিল। সেই বিরোধের জের ধরে বুধবার রাতে আসমাকে মনির তার বাসায় ডেকে নেয়। এরপর দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে আসমাকে হত্যার পর লাশ নিয়ে অজ্ঞাত স্থানে চলে যায়। যাওয়ার সময় পাশ্ববর্তী লোকজনকে জানিয়েছে আসমা বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেছে। দাফনের জন্য গ্রামের বাড়ি যাচ্ছে।
এব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসাদুজ্জামান জানান, অভিযোগ পেয়েছি। লাশ ফেরত আনার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে।
