নীলফামারী সদর উপজেলায় বৃহস্পতিবার গণধর্ষণের শিকার ওই তরুণীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সদর আধুনিক হাসপাতাল থেকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। জলঢাকা উপজেলার শিমুলবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা হিন্দু ধর্মালম্বী এই তরুণীকে শুক্রবার ওই হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসেস সেন্টারে (ওসিসি) স্থানান্তর করা হয়েছে।
নীলফামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান পাশা জানান,এ ঘটনার মামলায় শুক্রবার সোনারায় ইউনিয়নের বাবুরহাটের মোবাইল ব্যবসায়ী গুলজার রহমান (২৫) গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি অপর আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, জেলা সদর উপজেলার উত্তরা ইপিজেডের ভ্যানচুরা ব্যাগ তৈরির শিল্প প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ওই তরুণী একই উপজেলার সোনারায় বাবুরহাট এলাকায় একটি ভাড়া ঘরে থাকতেন। বুধবার রাত নয়টার দিকে কারখানার অতিরিক্ত কাজ শেষে ওই তরুণী পাশের কারখানায় কর্মরত মিলনের সঙ্গে ঘরে ফিরছিলেন। তারা এলাকার বাবুরহাট পৌঁছালে তিনজন বখাটে তাদের পথরোধ করে। এ সময় মিলনকে কিলঘুষি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয় ওই তিন বখাটে। এরপর ওই তরুণীকে জোরপূর্বক একটি লিচুবাগানে নিয়ে গিয়ে ওই তিন যুবক গণধর্ষণের পর পালিয়ে যায়। তার চিৎকারে পথচারী দুই ব্যক্তি তাকে উদ্ধার করে এলাকাবাসীর সহায়তায় সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করায়। খবর পেয়ে রাতেই থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই তরুনী বাদী হয়ে মামলা করে।
