মন্ত্রীর উপস্থিতিতে চেয়ার ছোড়াছুড়ি!

আপডেট : ১৫ নভেম্বর ২০১৫, ১৬:৪১
 
নেত্রকোনা সদর উপজেলার কালিয়ারা-গাবরাগাতি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সন্মেলন রবিবার দুপুরে শুরুর প্রাক্কালে কাউন্সিলের তালিকাকে কেন্দ্র করে দুটি পক্ষের মধ্যে বাদ-প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে সন্মেলন পণ্ড হয়ে যায়। এ সময় যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী ও নেত্রকোনা-২ আসনের এমপি আরিফ খান জয়ের উপস্থিতিতে প্লাস্টিকের চেয়ার ছুড়াছড়ির ঘটনা ঘটে।
 
এই ঘটনায় নেত্রকোনা সদর উপজেলার কালিয়ারা-গাবরাগাতি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সন্মেলন স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। বাকবিতণ্ডের সময় কালিয়ারা-গাবরাগাতি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আমজাদ হোসেন নাজেহাল হন।
 
ঘটনার সময় যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী ও নেত্রকোনা-২ আসনের এমপি আরিফ খান জয়, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিয়র রহমান খান, জেলা আওয়ামী লীগ সম্পাদক ও সাবেক এমপি আশরাফ আলী খান খসরু, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সম্পাদক জিএম খান পাঠান বিমলসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সন্মেলনস্থলে যাতে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়তে না পারে সে জন্য উপস্থিত  মন্ত্রী এবং জেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক আশরাফ আলী খান খসরুসহ অন্যান্য  নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে।
 
আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, আজকের সন্মেলনে সভাপতি-সম্পাদক নির্বাচিত করার জন্য যে কাউন্সিলারের তালিকা দেয়া হয় তাতে বেশিভাগ প্রকৃত নেতা কর্মীদের কারো নাম না থাকায় সন্মেলন স্থলে বঞ্চিত নেতা কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়। এই নিয়ে বাদ প্রতিবাদ চলতে থাকলে মঞ্চে বিশৃঙ্খলার সৃষ্ঠি হয় এবং চেয়ার ছুড়াছুড়ি হয়। সন্মেলনও স্থগিত হয়ে যায়।
 
এ ব্যাপারে যুবও ক্রীড়া উপমন্ত্রী ও নেত্রকোনা-২ আসনের এমপি আরিফ খান জয় এবং  জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিয়র রহমান খান, সম্পাদক ও সাবেক এমপি আশরাফ আলী খান খসরু সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা সন্মেলনস্থলে হট্টগোলের কথা স্বীকার করেন এবং সম্মেলন  স্থগিতের কথা স্বীকার করে বলেন, প্রকৃত কাউন্সিলরের তালিকা প্রস্তুত করে আগামী যে কোন দিন সন্মেলন করা হবে।