রানি ম্যাক্সিমার পোশাক কারখানা পরিদর্শন

আপডেট : ১৭ নভেম্বর ২০১৫, ১৫:৪৫
নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা বলয়ে টঙ্গীনেদারল্যান্ডের রানি ম্যাক্সিমা জরিগুয়েতা সেরুতি আজ মঙ্গলবার সকালে টঙ্গীর গাজীপুরা এলাকার ভিয়েলাটেক্স গার্মেন্ট কারখানা ও দত্তপাড়ায় ঝর্ণা ফেব্রিকস পরিদর্শন করেন। এসময় আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা পুরো টঙ্গী এলাকা নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা বলয়ে নিয়ে আসেন। গত এক সপ্তাহ ধরে গোয়েন্দা সংস্থার উচ্চপর্যায়ের সদস্যরা কড়া নজরদারিতে রেখেছেন টঙ্গীর গাজীপুরা ও দত্তপাড়া এলাকা। কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটতে পারে সে লক্ষে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কসহ টঙ্গীর প্রতিটি শাখা রাস্তায়ও বিপুল পরিমাণ পুলিশ, র‌্যাব, ডিবি, ডিজিএফআই, এসএসএফসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য কড়া নজরদারি রেখেছেন। 
 
র‌্যাব, ডিবি ও স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) কঠোর নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে মঙ্গলবার সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে রানি ভিয়েলাটেক্স কারখানায় প্রবেশ করেন। এসময় কারখানা কর্তৃপক্ষ তাকে স্বাগত জানান।
 
সেখানে তিনি কারখানার পোশাক উৎপাদন প্রক্রিয়া, কর্মপরিবেশ পরিদর্শন করেন ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা বলেন। পরিদর্শনকালে রানি অর্থ লেনদেন প্রতিষ্ঠান বিকাশের মাধ্যমে শ্রমিকদের সুযোগ সুবিধা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। তার আগমণ উপলক্ষে ভিয়েলাটেক্স কারখানার প্রাঙ্গণে হরেক রকমের তাজা ফুল দিয়ে অর্ভ্যথনা ফটক তৈরি করা হয়। পরে তিনি সকাল ৮টা ৪২ মিনিটে ভিয়েলাটেক্স কারখানা ত্যাগ করে গাজীপুরের শ্রীপুরের রাজাবাড়িতে যান। সেখানে তিনি ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সার্ভার সেন্টার পরিদর্শন করেন এবং ব্রাকের আওতাধীন এটুআই ও বিকাশ এজেন্ট অফিস উদ্বোধন করেন। পরে তিনি দুপুর সাড়ে ১২টায়  টঙ্গীর দত্তপাড়ায় ঝর্ণা  ফেব্রিক্স এন্ড ফ্যাশন হাউজ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ঝর্ণা ফ্যাশনের মালিক ঝর্ণা ইসলামের সাথে একান্তে কথা বলেন। শেষে দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে ছিলেন ব্র্যাকের চেয়ারম্যান স্যার ফজলে হাসান আবেদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।
 
এব্যাপারে ঝর্ণা ফেব্রিক্স ও ফ্যাশনের মালিক ঝর্ণা ইসলাম বলেন, রানি আমাকে একটি ফ্লোর নিয়ে কাপড় তৈরি করতে যা যা লাগে সেসব কিছু দেয়ার আশ্বাস দেন এবং আমার সফলতাকে সাধুবাদ জানিয়ে আমার কারখানার খোঁজ খবর নেন।