কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বিস্ফোরক মামলার আমল গ্রহণ হয়নি

আপডেট : ১৭ নভেম্বর ২০১৫, ১৮:৫৪
সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যার ঘটনায় বিস্ফোরক মামলার আমল গ্রহণ করেনি আদালত। ৫ জানুয়ারি শুনানির পরবর্তী দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
 
মঙ্গলবার হবিগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ মো. আতাবুল্লাহ এ আদেশ আদেশ দেন।
 
মঙ্গলবার ধার্য দিনে কারাগারে থাকা ১৫ আসামিকে আদালতে হাজির করতে না পারায় আমল গ্রহণ করা হয়নি। একই সঙ্গে মামলার প্রথম চার্জসিটভুক্ত উচ্চ আদালত থেকে জামিনে থাকা আট আসামির জামিন মঞ্জুর করেছে আদালত।
 
আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিস্ফোরক মামলার চার্জসিটে ৩২ জনকে আসামি করা হয়। এদের মধ্যে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জের মেয়র জি কে গউছসহ ১৫ জন কারাগারে, খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীসহ নয়জন পলাতক ও আটজন জামিনে রয়েছেন। বিস্ফোরক মামলাটির কার্যক্রম দীর্ঘদিন স্থগিত থাকার পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে অধিকতর তদন্ত করেন এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির সিলেটের এএসপি মেহেরুন্নেছা পারুল। তিনি তদন্ত শেষে প্রথম চার্জসিটভুক্ত ১০ আসামিসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে গত ৫ আগস্ট আদালতে সম্পূরক চার্জসিট জমা দেন। হত্যা মামলাটিতেও  সবাইকে আসামি করা হয়। মামলাটি বর্তমানে সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে। জামিনপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি একেএম আব্দুল কাইয়ূম, জয়নাল আবেদিন জালাল, জমির আলী, জয়নাল আবেদিন মমিন, তাজুল ইসলাম, সাহেদ আলী, সেলিম আহমেদ এবং আয়াত আলী। আদালতে হাজির হয়ে তারা জামিন চাইলে বিচারক তা মঞ্জুর করেন। তারা হত্যা মামলায়ও উচ্চ আদালত থেকে জামিনে রয়েছেন।
 
প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি সদর উপজেলার বৈদ্যের বাজারে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভা শেষে ফেরার পথে গ্রেনেড হামলা নিহত হন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া ও তার ভাতিজা শাহ মঞ্জুর হুদাসহ পাঁচজন। হামলায় আহত হন ৪৩ জন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী। এ ঘটনায় জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মজিদ খান এমপি বাদী হয়ে সদর থানায় হত্যা এবং বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা করেন।