পুলিশের ওপর হামলা মামলায় জামিন নামঞ্জুর

খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি মঞ্জু কারাগারে

আপডেট : ২৩ নভেম্বর ২০১৫, ১৩:২৩
খুলনা মহানগর বিএনপি সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সোমবার সকালে খুলনা মহানগর হাকিমের আদালতের বিচারক মো. আমিরুল ইসলাম এই আদেশ দেন।
 
এর আগে নজরুল ইসলাম মঞ্জু কয়েকশ নেতাকর্মী নিয়ে আদালত চত্বরে উপস্থিত হন। বেলা ১১টায় পুলিশের ওপর হামলা মামলায় তিনি খুলনা মহানগর হাকিমের আদালতে আত্মসমর্পন করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। 
 
এ সময় পুলিশ আদালত এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
 
আদালত সূত্র জানায়, ২০১৩ সালের ২৬ নভেম্বর নগরীর পাওয়ার হাউজ মোড়ে বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এসআই অনুকূল চন্দ্র ঘোষ বাদী হয়ে দণ্ডবিধি ও বিস্ফোরক আইনের ৩/৫ ধারায় নগরীর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গত ৩০ এপ্রিল মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আশরাফুল আলম মহানগর বিএনপি সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু এবং সাধারণ সম্পাদক ও কেসিসি’র বরখাস্তকৃত মেয়র মনিরুজ্জামান মনিসহ  ৫২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। 
 
রবিবার আদালত এ মামলায় নজরুল ইসলাম মঞ্জুসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। এর আগে নগরীর পিটিআই মোড়ে ইজিবাইক ভাংচুর মামলায় গত ১৬ নভেম্বরও আদালত নজরুল ইসলাম মঞ্জু ও মনিরুজ্জামান মনিসহ চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। এ নিয়ে দু’টি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা মাথায় নিয়ে ফেরারি হন মহানগর বিএনপির এ দুই শীর্ষ নেতা।
 
আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম মাওলা জানান, দু’টি মামলায় জামিনের জন্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু আজ সোমবার সকাল সোয়া ১১টার দিকে খুলনা মহানগর হাকিমের আদালতে (১) আত্মসমর্পন  করেন। বিচারক মো. আমিরুল ইসলাম ইজিবাইক ভাংচুর মামলায় মঞ্জুকে জামিন দিলেও পুলিশের ওপর হামলার মামলায় জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
 
মঞ্জুর পক্ষে জামিন শুনানীকালে সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক, মঞ্জুর আহমেদ, গোলাম মাওলা, সরদার ইউনুস, মোমরেজুল ইসলাম, মোল্লা মাসুম রশিদ, মাসুদ হোসেন রনি, আব্দুস সবুর, নূরুল হাসান রুবাসহ শতাধিক আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।