পুলিশ কনস্টেবলের স্ত্রী-কন্যার রহস্যজনক মৃত্যু

আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০১৫, ১২:৩৪
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে পুলিশ কনস্টেবল পরিমল চন্দ্রের স্ত্রী কৃষ্ণা রাণীর (২৬) ঝুলন্ত ও বিছানা থেকে তার দেড় বছরের কন্যা সন্তান অর্পিতার লাশ মঙ্গলবার উদ্ধার করেছে পুলিশ। 
 
ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ থানার আকাশীল গ্রামের অক্ষয় কুমার চন্দ্রের ছেলে পুলিশ কনস্টেবল পরিমল চন্দ্র সুন্দরগঞ্জ থানায় কর্মরত এবং বাসা ভাড়া নিয়ে উপজেলা সদরের বামনজল এলাকায় বাস করতেন।
 
কৃষ্ণা রাণী (২৬) ঠাকুরগাঁও জেলা সদরের কালিকাগাঁও এলাকার নলিনী কান্তরায়ের মেয়ে।
 
সুন্দরগঞ্জ থানার ওসি মো. ইসরাইল হোসেন কনস্টেবল পরিমল চন্দ্রের বরাত দিয়ে জানান, পুলিশ কনস্টেবল পরিমল চন্দ্র প্রতিদিনের মতো সোমবার রাতে স্ত্রী কৃষ্ণা রাণী ও তার একমাত্র সন্তান শিশু কন্যা অর্পিতা রাণীকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। মঙ্গলবার ভোর ৫ টার দিকে পরিমল চন্দ্র ঘুম থেকে উঠে দেখতে পান তার স্ত্রী কৃষ্ণা রাণী বিছানায় নাই এবং বিছানায় নিথর দেহ পরে আছে অর্পিতার। এ অবস্থায় বাড়ির বিভিন্ন স্থানে খুঁজে তাকে না পেয়ে চিৎকার শুরু করেন। পরে প্রতিবেশিরা এসে দেখতে পান রান্না ঘরের ধর্ণার সঙ্গে রশিতে ঝুলে আছে কৃষ্ণা রাণীর দেহ। তবে কি কারণে তিনি গলায় রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তা নিশ্চিত করে জানাতে পারেননি পরিমল।
 
তিনি আরো জানান, খবর পেয়ে সকাল ১০ টার দিকে দুই জনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃতদেহে দু’টিতে জখমের কোন চিহ্ন ছিল না। এনিয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। 
 
পরিমল চন্দ্র রায় জানান, সোমবার বা সম্প্রতি তাদের মধ্যে কোন ঝগড়া বিবাদ হয়নি। তবে কি কারণে এ ঘটনা ঘটলো বিষয়টি তিনিও অনুমান করতে পারছেন না। 
 
গাইবান্ধা জেলা পুলিশ সুপার মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি তদন্ত অব্যাহত আছে। এর বেশি এখন আর কিছু বলা সম্ভব নয়।