ছাত্রলীগের বিবাদমান দু’ গ্রুপ সোমবার দিবাগত গভীর রাতে আবারো শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাণ্ডব চালিয়েছে। সদ্য ঘোষিত কমিটিতে স্থান না পাওয়া ছাত্রলীগের একাংশের নেতা-কর্মীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের প্রতিপক্ষ (কমিটিতে স্থান পাওয়া) নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার চেষ্টা চালায়। এতে প্রতিহতের চেষ্টা চালায় কমিটির নেতারা।
কলেজ অডিটোরিয়ামে রাতে মেডিসিন ক্লাবের সম্মেলন উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলাকালে উভয় পক্ষের মারমুখী অবস্থানে আতংক ছড়িয়ে পড়ে।
ক্যাম্পাসে পুলিশ হাজির হলে বিবাদমান ছাত্রলীগের উভয় গ্রুপ স্ব-স্ব হলে গিয়ে কাগজপত্রে আগুন ধরিয়ে দিয়ে দলের শীর্ষ নেতাদের নামে অশ্লীল শ্লোগান দিতে থাকে। একাধিক হলে আগুন দেয়ার খবর পেয়ে গভীর রাতে ক্যাম্পাসে ছুটে যায় দমকল ইউনিট। খবর পেয়ে রাতে ছাত্রাবাস পরিদর্শন করেন কলেজ অধ্যক্ষ। এরপর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর পুলিশের সঙ্গেই ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন দমকল ইউনিট। রাত ১ টার দিকে আবার দু’গ্রুপে পরস্পরের ওপর চড়াও হয়। এ সময় সড়কে আগুন ধরিয়ে বিক্ষোভ করে বিবাদমান গ্রুপের নেতা-কর্মীরা।
রাত ২ টায় অধ্যক্ষকে নিয়ে উভয় হলে পুলিশ তল্লাশি চালাতে গেলে তারা পরস্পরের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। এ সময় হল থেকে ছোড়া বোতলের আঘাতে আহত হন কোতয়ালী মডেল থানার এসআই ফরিদসহ ৫ জন।
গত রবিবার শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এমপি ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক এমপি’র উপস্থিতিতে সংঘর্ষে জড়ায় তারা।
কোতয়ালী মডেল থানার ওসি শাখাওয়াত হোসেন জানান, ক্যাম্পাসে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’ গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
