পাবনার সুজানগরে দিনের পর দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে জালালের সুস্বাদু ভাপা পিঠা। শীত আসতে না আসতেই সুজানগর পৌর বাজারে জালালের ভাপা পিঠা বিক্রির ধূম পড়ে যায়। অন্যান্য বছরের মতো এ বছরও শীতের শুরুতেই জালাল উদ্দিন ওরফে ভাপা পিঠা জালাল পৌর বাজারের প্রধান সড়কের পাশে বসে ভাপা পিঠা তৈরি করে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
গত ৭/৮ বছর আগে উপজেলার মসজিদপাড়া গ্রামের হতদরিদ্র জালাল উদ্দিন জীবন জীবিকার প্রয়োজনে সুজানগর পৌর বাজারে ভাপা পিঠা তৈরি করে বিক্রি শুরু করেন। প্রথম দিকে তিনি যখন পৌর বাজারে ভাপা পিঠা তৈরি শুরু করেন তখন তেমন একটা বেচা বিক্রি হতো না। কিন্তু গত ৭/৮ বছরের ব্যবধানে উন্নত সিদ্ধ চাল এবং খাঁটি খেজুর পাটালী দিয়ে তৈরি করা অত্যন্ত সুস্বাদু ওই পিঠা এলাকার সর্বস্তরের মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আর সেকারণে শীতের শুরুতেই তিনি যখন পৌর বাজারের প্রধান সড়কের পাশে বসে ভাপা পিঠা তৈরি করেন তখন তার দোকানে ভাপা পিঠাভোজী মানুষের উপচে পড়া ভীড় লক্ষ্য করা যায়। এলাকার শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সকল বয়সী মানুষ তার তৈরি ভাপা পিঠা কিনে আয়েশ করে খাওয়ার পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের জন্য বাড়ি নিয়ে যান। প্রতি পিস পিঠা ৫ টাকা করে বিক্রি করা হয়।
পিঠা বিক্রেতা জালাল উদ্দিন জানান, তিনি শীতের ৪/৫ মাস ভাপা পিঠা বিক্রি করেন আর বাকি সময় রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। তবে রিকশা চালানোর চেয়ে পিঠা বিক্রি করেই তার বেশি উপার্জন হয়। শীতের ৪/৫ মাস পিঠা বিক্রি করে তিনি খরচ বাদে প্রতিদিন ৪ থেকে ৫’শ টাকা উপার্জন করেন। এতে তার ৩ সদস্যের সংসার বেশ ভাল ভাবেই চলে যায়। তাছাড়া পিঠা তৈরির কাজে পরিশ্রম কম এবং তেমন পুঁজিও লাগেনা বলেও তিনি জানান।
