পৌর নির্বাচনে সরকার দলীয় প্রার্থীদের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে বিএনপি। একইসঙ্গে যেসব এলাকায় আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়েছে সেসব এলাকার রিটার্নিং অফিসারদের প্রত্যাহারের পাশাপাশি নির্বাচনের নতুন তফসিল ঘোষণার দাবি জানিয়েছে দলটি।
শুক্রবার বিকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মুখপাত্র ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, যেসব নির্বাচনী এলাকায় আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়েছে, সেখানে যারা সরকারের ইশারায় দায়িত্ব পালন করছেন তাদের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করতে হবে। তা নাহলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। আমাদের দাবির প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন কি ব্যবস্থা নেন দেখতে চাই।
তিনি বলেন, ঢাকার ধামরাই, ময়মনসিংহের গৌরিপুর, ভোলার দৌলতখান, যশোরের কেশবপুর, বরগুনার বেতাগী পৌরসভা নির্বাচনী এলাকায় আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। বিএনপির মুখপাত্র বলেন, শাসক দলের নিরপেক্ষতার অভাবে নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু হবে কি না এই নিয়ে জনগনের মনে সংশয় রয়েছে। নির্বাচন কমিশন নিত্য-নতুন সংশোধনী এনে নির্বাচনের পরিবেশকে আরও কঠিন করে তুলেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। মনোনয়নপত্র জমা দানে বাধা, কোন কোন জায়গার মনোনয়নপত্র ছিঁড়ে ফেলে দেয়া হয়েছে এমন অভিযোগ করে রিপন বলেন, ফেনী সদর, দাগনভূঁইয়া, পরশুরাম পৌরসভার ৩৩টি কাউন্সিল পদে অন্য কাউকে মনোনয়ন জমা দিতে দেয়নি সরকার দলীয় সন্ত্রাসীরা।
রিপন বলেন, আমরা আগেই সার দেশে গণগ্রেফতার বন্ধের দাবি জানিয়েছিলাম। কিন্তু কোন লাভ হয়নি। জামালপুর জেলার ৭টি উপজেলা থেকে বৃহস্পতিবার যৌথবাহিনী ৮৫ জনকে গ্রেফতার করেছে। এতে এলাকায় নির্বাচনের পরিবর্তে গ্রেফতার আতঙ্ক বিরাজ করছে।
