২৮ কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত

আপডেট : ১০ মার্চ ২০১৯, ২২:৩৫

পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে অনিয়মের অভিযোগে ২৮টি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটকেন্দ্র থেকে হাতেনাতে বেশ কয়েকজন নির্বাচনী কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। রবিবার ভোটগ্রহণ শেষে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, ৭৮টি উপজেলায় ৫ হাজার ৮৪৭টি কেন্দ্রে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিভিন্ন অনিয়মের কারণে ২৮টি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বন্ধ করা হয়েছে। এগুলোতে পরবর্তীতে ভোটগ্রহণ করা হবে। এছাড়া অন্যান্য কেন্দ্রগুলো সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচন মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে মনে করেন তিনি ইসি সচিব। মাঠ পর্যায় থেকে ইসির কাছে পাঠানো প্রতিবেদন অনুযায়ী, জোরপূর্বক ব্যালট পেপারে সিলমারা, ব্যালট পেপার ছিনতাই, নির্বাচনী কর্মকর্তাদের বিধিবর্হিভূত কার্যক্রমে জড়িত থাকা, ভোটকেন্দ্র সংঘর্ষের ঘটনায় ২৮টি কেন্দ্রের ভোট বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে কমিশন।

ইসির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সচিব  হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, কত শতাংশ ভোটার উপস্থিত ছিল, সেই তথ্য আমরা এখন পর্যন্ত পাইনি। তবে আমরা যা জেনেছি, তাতে ভোটার উপস্থিতি সন্তোষজনক।

এদিকে, এবারের উপজেলা নির্বাচনে সরাসরি অনিয়মে সম্পৃক্ত থাকার কারণ বেশকয়েকজন নির্বাচন কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অনিয়মের অভিযোগ সিরাজগঞ্জের একজন প্রিজাইডিং অফিসার ও ২ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নাটোরের ১ সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার, লালমনিরহাটের পাটগ্রামে ১ জন সহকারী প্রিজাইডিং ও ১ জন পোলিং এজেন্টকে গ্রেফতার হয়েছে। এছাড়াও সুনামগঞ্জের ২ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের সবার নামে মামলা করেছে ইসি। এছাড়াও রাজশাহী, নাটোর ও কুড়িগ্রামে ১০ জন দুর্বৃত্তকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ইসির যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহম্মদ খান জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে প্রথম ধাপে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মোট ২৮ জন প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ১৫ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন।

সারাদেশের উপজেলাগুলোয় এবার পাঁচ ধাপে ভোটগ্রহণ করবে ইসি। দ্বিতীয় ধাপে ১৮ মার্চ, তৃতীয় ধাপে ২৪ মার্চ, চতুর্থ ধাপে ৩১ মার্চ ও পঞ্চম ধাপে ১৮ জুন ভোট গ্রহণ করা হবে।