অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকির কারণে বাংলাদেশের অবস্থা নাজুক। এ ক্ষেত্রে আমাদের দায় কম হলেও অন্য রাষ্ট্রগুলোর ব্যাপক দূষণের প্রতিফল ভোগ করতে হবে। সারা পৃথিবী ও মানবসম্প্রদায়কে রক্ষায় এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আমাদের নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রয়োজন। কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির শতভাগ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। তাই এ ক্ষেত্রে দ্রুততর প্রাযুক্তিক উন্নয়ন এবং পরিকল্পিত অর্থায়ন প্রয়োজন। নবায়নযোগ্য জ্বালানির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা না গেলে পৃথিবী বাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে। গতকাল রবিবার রাজধানীতে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) বাংলাদেশ ক্লিন এনার্জি সামিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি (ইডকল) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সম্মেলনে নবায়নযোগ্য শক্তি ও পরিবেশবান্ধব ভবন নির্মাণের ওপর কর্মশালা ও প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়।
অর্থমন্ত্রী বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহারের কারণে কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। ফলে জলবায়ু পরিবর্তন মানুষের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বে মোট জ্বালানির ৮০ শতাংশ আসে জীবাশ্ম থেকে। এটি পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করছে। এ অবস্থা বদলাতে জ্বালানি উত্পাদনের পদ্ধতি পরিবর্তনের বিকল্প নেই। গ্রিন এনার্জির জন্য কাজ করতে হবে। কার্বন নিঃসরণ কমাতে সোচ্চার হতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুত্, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী বলেন, গত এক দশকে আমাদের বিদ্যুত্ উত্পাদনে দ্বিগুণের বেশি দক্ষতা অর্জন করেছি। দক্ষতা যত বাড়বে নবায়নযোগ্য উত্স থেকে কম খরচে বিদ্যুত্ উত্পাদন তত বেশি বাড়বে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিদ্যুত্ বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. আহমাদ কায়কাউস, ইআরডি’র সচিব ও ইডকলের চেয়ারম্যান মনোয়ার আহমেদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইডকলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ মালিক।
