ইভটিজিংয়ের জেরে ৪ গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ২০

আপডেট : ১১ ডিসেম্বর ২০১৫, ১৯:০২
আড়াইহাজারে স্কুলছাত্রীকে ইভটিজিংয়ের ঘটনায় চার গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। এ সময় বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
 
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার শম্ভুপুরা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে উচিতপুরা এলাকার আবুলের ছেলে আসাদ রাস্তায় উত্ত্যক্ত করে। এ ঘটনা ওই ছাত্রীর মামা খাগকান্দা গ্রামের শরীফ জানলে আসাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে আসাদের বাবা বাবুল, কাউসার মেম্বার ও ফরিদ এসে শরীফকে মারধর করেন। এ সময় আগুয়ান্দী এলাকার শাহজালাল শরীফকে ছাড়াতে এলে তাকেও আঘাত করা হয়।
 
এ ঘটনার জের ধরে শুক্রবার সকালে উচিতপুরা বাজারে উচিতপুরা ও রায়পুরা গ্রাম এবং আগুয়ান্দী ও গহরদী গ্রামের কয়েকশ লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু করে। এ সময় বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। আহত হয় উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন। আহতদের আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
 
উচিতপুরা গ্রামের সাবেক মেম্বার কাউসার জানান, আগুয়ান্দী ও গহরদী গ্রামের লোকজন তাদের উচিতপুরা ও রায়পুরা গ্রামের বাড়িঘর, দোকানপাট ভাঙচুর করে মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে।
 
শম্ভুপুরা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আ. হান্নান মিয়া জানান, আসাদসহ তার কয়েক সহযোগীকে এর আগেও ছাত্রীদের ইভটিজিংয়ের দায়ে বেশ কয়েকবার স্কুলের পক্ষ থেকে শাসিয়ে দেয়া হয়েছিল। এরপরও তারা তা বন্ধ করেনি।
 
এ ব্যাপারে আড়াইহাজার থানার ওসি সাখাওয়াত হোসেন জানান, বর্তমানে এলাকা শান্ত রয়েছে এবং উচিতপুরা বাজারে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।