নবাবগঞ্জে সজিব হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার

আপডেট : ১৪ ডিসেম্বর ২০১৫, ১৫:২৪
ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা সজিব হত্যা মামলায় নূর আলম (২৮) নামের এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ। রবিবার দিবাগত রাতে উপজেলার বাহ্রা ইউনিয়নের পূর্ব বাহ্রা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। নূর আলম উপজেলার পূর্ব বাহ্রা গ্রামের হাজী আব্দুল জলিলের ছেলে।
 
নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. বাছির জানান, সজিব হত্যার মামলার ইজাহারভুক্ত আসামি লুৎফর ওরফে লুথাকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে তার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার জবানবন্দির ভিত্তিতে নূর আলমকে গ্রেফতার করা হয়।
 
উল্লেখ্য, গত ৮ ডিসেম্বর উপজেলার উত্তর বাহ্রা গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সজিব নামের এক যুবককে পিটিয়ে আহত করেন দুবৃর্ত্তরা। বুধবার বিকালে ঢাকা একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় থানায় লুৎফর রহমান ওরফে লুথাকে প্রধান আসামি করে আরও ৩-৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। 
 
নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. বাছির আরও বলেন, 'গ্রেফতারকৃত নূর আলমকে ৪ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।'ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা সজিব হত্যা মামলায় নূর আলম (২৮) নামের এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ। রবিবার দিবাগত রাতে উপজেলার বাহ্রা ইউনিয়নের পূর্ব বাহ্রা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। নূর আলম উপজেলার পূর্ব বাহ্রা গ্রামের হাজী আব্দুল জলিলের ছেলে।
 
নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. বাছির জানান, সজিব হত্যার মামলার ইজাহারভুক্ত আসামি লুৎফর ওরফে লুথাকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে তার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার জবানবন্দির ভিত্তিতে নূর আলমকে গ্রেফতার করা হয়।
 
উল্লেখ্য, গত ৮ ডিসেম্বর উপজেলার উত্তর বাহ্রা গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সজিব নামের এক যুবককে পিটিয়ে আহত করেন দুবৃর্ত্তরা। বুধবার বিকালে ঢাকা একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় থানায় লুৎফর রহমান ওরফে লুথাকে প্রধান আসামি করে আরও ৩-৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। 
 
নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. বাছির আরও বলেন, 'গ্রেফতারকৃত নূর আলমকে ৪ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।'