নারায়ণগঞ্জ শহরের গণবিদ্যা নিকেতন স্কুলের ছাত্রী নিহত শ্রাবণীর নকল করার বিষয়টি প্রমাণিত হয়নি বলে জানিয়েছেন তদন্ত কমিটির প্রধান প্রফেসর মো. ইলিয়াছ হোসেন।
আর এরই মধ্যে দোষ স্বীকার করে ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন অভিযুক্ত শিক্ষক কামরুল হক মুন্না।
এদিকে শ্রাবনীর বাবা মো. হাবিবুল্লাহ স্কুলের তিন শিক্ষকসহ মোট পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছেন।
উল্লেখ্য, বৃস্পতিবার শহরের গণবিদ্যা নিকেতন স্কুলের কয়েকজন শিক্ষক ছাত্রী উম্মে হাবিবা শ্রাবণীর বিরুদ্ধে নকলের অভিযোগ তুলে তাকে স্কুলের মাঠে দাঁড় করিয়ে রেখে পরে পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করে। এ অপমান সইতে না পেরে শ্রাবনী আত্মহত্যা করে। এ ঘটনায় শিক্ষা মন্ত্রনালয় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। সোমবার থেকে তদন্ত কমিটি কাজ শুরু করেছে।
