বুধবার চালু হচ্ছে খুলনা-কলকাতা বাস সার্ভিস

আপডেট : ২১ ডিসেম্বর ২০১৫, ১৬:০৮
 
চলতি মাসেই খুলনা-কলকাতা সরাসরি সার্ভিস সরাসরি চালু হচ্ছে। ঢাকা-কলকাতা এবং ঢাকা-আগরতলার পর এটি হবে দুইদেশের মধ্যে তৃতীয় সরাসরি বাস সার্ভিস। সার্কভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে সরাসরি বাস সার্ভিস চালুর ক্ষেত্রে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ-ভুটান-ইন্ডিয়া-নেপাল মোটর ভেহিকেলস্ এগ্রিমেন্ট (বিবিআইএন-এমভিএ) এর আওতায় এই বাস সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
 
সূত্র মতে, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভাগীয় শহর খুলনা মহানগরের সাথে ভারতের পশ্চিম বাংলার রাজধানী কলকাতার মধ্যে আগামী ২৩ ডিসেম্বর সরাসরি এই বাস সার্ভিস চালু হবে। বাংলাদেশ-ভুটান-ইন্ডিয়া-নেপাল মোটর ভেহিকেলস্ এগ্রিমেন্ট (বিবিআইএন-এমভিএ) এর ফ্রেন্ডশিপ মটর র‌্যালি গত ২ ডিসেম্বর বুধবার কলকাতার প্রিন্সেপ ঘাটে শেষ হওয়ার পর অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে ভারতের কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহনমন্ত্রী নীতিন গাদকারী, পশ্চিম বাংলার যুব কল্যাণ, আবাসন ও ক্রীড়া দফতরের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের উপস্থিতিতে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব বিজয় ছিব্বার খুলনা-কলকাতা বাস সার্ভিস চালুর এই ঘোষণা দেন। তবে এই বাস সার্ভিস চালুর আনুষ্ঠানিকতা পরিকল্পনা অনুযায়ী শেষ হলে ঘোষিত দিনক্ষণ ঠিক থাকবে বলে জানা যায়।
 
এই বাস সার্ভিসকে দীর্ঘস্থায়ী করতে ইতিমধ্যে এডিবির টাকায় কলকাতা- পেট্রাপোল জাতীয় সড়ক চার লেনে উন্নীত করা হবে বলে জানা যায়। এদিকে বিবিআইএনএমভিএ অনুসারে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে আরো একটি নতুন বাস রুট চালু হচ্ছে। ভারতের পরিবহন দফতরের কর্তারা জানান, আগামী ২৩ ডিসেম্বর কলকাতা-খুলনা ভায়া যশোর রুটের বাস সার্ভিসের শুভ সূচনা হবে কলকাতা থেকে। পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় এই বাস যাত্রার আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করবেন।
 
এই রুটে ভারতীয় বাস চালাবে ভূতল পরিবহন নিগম। বুধবারের এই অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, বিবিআইএনএমভিএ বাস্তবায়িত হলে সংশ্লিষ্ট চার দেশের সাথে সম্পর্ক আরও মজবুত হবে। পর্যটন শিল্পের দ্রুত বিকাশ ঘটবে। বাংলাদেশসহ অন্যান্য তিন দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রীরা নিজেদের দেশের গাড়ী নিয়ে চারদেশ ভ্রমণ করতে পারবেন। তিনি আরো বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় কিছুদিন আগে কলকাতা-আগড়তলা-ভায়া ঢাকা রুটে বাস চলাচলের শুভ সূচনা করেছেন।
 
জানা যায়, বিবিআইএনএমভিএর খসড়া প্রটোকল তৈরি হয়েছে। সেই প্রটোকল দ্রুত চূড়ান্ত করে চারদেশের মধ্যে যান চলাচল অতিশীঘ্রই শুরু হবে। চার দেশের মধ্যে যান চলাচল শুরু হলে যে সমস্ত গাড়ি সীমান্ত পার হয়ে চলাচল করবে সেই সব গাড়িতে জিপিএস সংযোগ থাকবে। কন্ট্রোল রুম থেকে সেই সব গাড়ির উপর নজরদারি করা যাবে। পণ্যবাহী গাড়িগুলো বিশেষভাবে সিলগালা করা থাকবে।